জেড নিউজ , ঢাকা :
উম্মাহাতুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) চুরির অপরাধে মাখজুম গোত্রের এক (সম্ভ্রান্ত) মহিলার ব্যাপারে কুরাইশরা অনেক টেনশনে পড়ে যায়। তখন সাহাবিরা বললেন, তার ব্যাপারে মহানবী (সা.)-এর কাছে কে কথা (সুপারিশ) বলবে? সবাই বললেন, মহানবী (সা.)-এর প্রিয়জন উসামা ইবনে জায়েদ ছাড়া কার সাহস আছে কথা বলার! তাই উসামা (রা.) মহানবী (সা.)-এর কাছে এ বিষয়ে আলাপ করার পর মহানবী (সা.) বললেন, তুমি আল্লাহর এক শরয়ি বিধানের ব্যাপারে সুপারিশ করতে এসেছ?
এরপরে মহানবী (সা.) দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতে লাগলেন।
খুতবায় তিনি বললেন, (হে লোকসকল!) তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে যখন কোনো সম্মানি ব্যক্তিরা চুরি করত, তখন তারা তাদের ছেড়ে দিত। আর দুর্বলরা চুরি করলে তাদের ওপর শরিয়তের বিধান প্রয়োগ করত। এ কারণেই তারা ধ্বংস হয়ে গেছে। ওয়াল্লাহি, যদি মুহাম্মাদের মেয়ে ফাতিমাও চুরি করে, তাহলে আমি তার হাতও কেটে দেবো।
অন্য বর্ণনায় আছে, মহানবী (সা.)-এর চেহারা রক্তিম বর্ণ হয়ে গিয়েছিলো। মহানবী (সা.) বললেন, আল্লাহর শরয়ি দণ্ডবিধির ব্যাপারে তুমি আমার কাছে সুপারিশ করতে এসেছ? উসামা (রা.) বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি আমার জন্য ইস্তেগফার করুন। তারপর মহানবী (সা.) তার ওপর শরয়ি বিধান প্রয়োগ করার আদেশ দেন। তখন মহিলার হাত কেটে দেওয়া হয়েছিলো।



