জেড নিউজ , ঢাকা :
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলির আবেদন কার্যক্রম চলছে। এরই মধ্যে প্রায় ১২ হাজারের বেশি শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই আবেদনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বদলির জন্য মোট ১১ হাজার ৯৮৬ জন শিক্ষক আবেদন করেছেন। আবেদনের শেষ দিন হওয়ায় এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে বদলি আবেদনের সময় বাড়ানো হবে কিনা তা স্পষ্ট করেছেন মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
তিনি বলেন, বদলি আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ রয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে বদলি কার্যক্রম শুরু করার। মাউশি সেভাবেই কাজ করছে।
এদিকে স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে সমস্তরের বাধার কারণে অনেক শিক্ষক আবেদন করতে পারছেন না।
এ বিষয়ে মাউশি মহাপরিচালক জানান, শিক্ষকদের বদলির জন্য তৈরিকৃত নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার তৈরি করেছে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। নীতিমালা যেভাবে আছে সে অনুযায়ী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারছেন। যারা পারছেন না তারা নীতিমালার শর্ত পূরণ করতে পারেননি। আপাতত নীতিমালা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
তিনি আরো বলেন, এবারের মতো সফটওয়্যার আপডেটের সুযোগ আছে বলে মনে হয় না।
প্রথমবার সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি হচ্ছে, এজন্য অনেক ভুল থাকতে পারে। আগামীতে বিষয়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।
গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে ওয়েবসাইটের (http://ngttdshe.teletalk.com.bd/#/login) মাধ্যমে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলির আবেদন শুরুর তথ্য জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের (প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব শিক্ষক) বদলির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারিকৃত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬ (সংশোধিত) অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে উল্লিখিত নির্দেশনাবলি জারি করা হলো।
একজন আবেদনকারী তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পাবেন। প্রাপ্ত আবেদনগুলো বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া শেষে কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবেন। আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লিখিত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্যপদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন।





