জেড নিউজ, ঢাকা:
দারুচিনি আসল-নকল বোঝা খুব বেশি কঠিন না
চা, পায়েস, পোলাও, বিরিয়ানি থেকে শুরু করে নানা মসলাদার রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার রয়েছে। শুধু স্বাদ ও গন্ধের জন্য নয়, ঘরোয়া রান্নায় দীর্ঘদিন ধরেই এই মসলাটি জনপ্রিয়। বাজারে দারুচিনি সাধারণত কাঠির মতো গোটা অবস্থায় কিংবা গুঁড়া করে বিক্রি হয়। কিন্তু সব দারুচিনির গুণমান এক নয়। অনেক সময় দেখতে একই রকম হওয়ায় আসল দারুচিনি চেনা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কেনার সময় কয়েকটি বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে ভালো মানের দারুচিনি বেছে নেওয়া সহজ হয়।
১. কাঠির গঠন দেখুন
আসল সিলন দারুচিনি বা ‘ট্রু সিনেমন’ সাধারণত পাতলা ও নাজুক হয়। এর ছাল অনেকগুলো পাতলা স্তরে পাকানো থাকে এবং ভেতরের অংশও তুলনামূলকভাবে সূক্ষ্ম। অন্যদিকে ক্যাসিয়া দারুচিনির ছাল সাধারণত মোটা ও শক্ত হয় এবং অনেক সময় একটি বা কয়েকটি মোটা স্তরে পাকানো দেখা যায়। তবে শুধু পাতলা-মোটা দেখে দারুচিনি ভেজাল কি না নিশ্চিত করা যায় না। বাজারে বৈধভাবেই বিভিন্ন ধরনের দারুচিনি বিক্রি হয়।
২. রঙে খুব বেশি গাঢ় কি না দেখুন
সিলন দারুচিনির রং সাধারণত হালকা বাদামি থেকে হলদে-বাদামি ধরনের হয়। ক্যাসিয়া তুলনামূলকভাবে গাঢ় লালচে বা বাদামি হতে পারে। তাই অত্যন্ত গাঢ় রং দেখলেই সেটিকে ভেজাল মনে করার কারণ নেই দারুচিনির প্রজাতিভেদে রঙের পার্থক্য স্বাভাবিক।
৩. গন্ধে বোঝার চেষ্টা করুন
ভালো দারুচিনি হাতে নিলে এর স্বাভাবিক মিষ্টি ও উষ্ণ সুগন্ধ পাওয়া যায়। খুব তীব্র, কৃত্রিম বা অস্বাভাবিক গন্ধ থাকলে সতর্ক হওয়া ভালো। তবে গন্ধ কমে যাওয়ার অর্থ সবসময় ভেজাল নয়; পুরোনো বা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় রাখা দারুচিনির সুগন্ধও কমে যেতে পারে।




