জেড নিউজ , ঢাকা :
গত বছরের পহেলা বৈশাখ উদযাপন ছিল অনেকটা ক্লিশে। ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতিও ছিল কম। এবার পোশাক ব্র্যান্ড ও কারুশিল্পীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। লক্ষ্য ছিল প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বেচাকেনার। তবে জ্বালানি সংকটে বিপণিবিতান ও দোকানপাট সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আশা ভঙ্গ হয়েছে ব্যবসায়ীদের।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে দেশে সৃষ্ট হওয়া জ্বালানি সংকটের কারণে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বেচাকেনায়। অবিক্রীত রয়ে গেছে ১৩ হাজার কোটি টাকার পণ্য। এমনটা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
পোশাক ব্র্যান্ডের মালিক ও দোকানিরা বলছেন, গত বছরের চেয়ে বিক্রি বাড়লেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি হয়নি। ব্র্যান্ডভেদে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পোশাক ও কারুপণ্য অবিক্রীত রয়ে গেছে। এতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের কারুশিল্পী, ডিজাইনার, ফ্যাশন ব্র্যান্ডের মালিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা।
বৈশাখে এবার সামগ্রিকভাবে বেচাকেনা খুব ভালো হয়নি। শেষ দিকে কিছুটা চাপ ছিল, কিন্তু সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধের কারণে বিক্রি ভালো হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। আমাদের ধারণা, বৈশাখ উপলক্ষে তৈরি করা প্রায় ৪০ শতাংশ পণ্য থেকে গেছে। আমরা দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।-সাদাকালোর অন্যতম উদ্যোক্তা ও এফইএবি সভাপতি আজহারুল হক আজাদ
এ কারণে এবার সবার প্রস্তুতি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু বিক্রি নিয়ে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যায় বন্ধের কারণে ক্রেতারা মার্কেটে যেতে পারেননি। এতে বিক্রি অন্তত ৫০ শতাংশ কম হয়েছে।



