২১/০৫/২০২৬, ০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    গুগলের এআই স্টুডিওতে মিনিটেই তৈরি করা যাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

    জেড নিউজ ডেস্ক:

    অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরির জগতে নতুন যুগের সূচনা করল প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। প্রতিষ্ঠানটি তাদের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে ‘গুগল আইও ২০২৬’ ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে এখন থেকে ওয়েবভিত্তিক ‘গুগল এআই স্টুডিও’ ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটেই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা যাবে। যে কাজ করতে আগে দীর্ঘ সময় ধরে কোডিং ও সেটআপ প্রয়োজন হতো, তা এখন অনেক সহজ ও দ্রুত হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছে গুগল।

    প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা এখন জেমিনি এআই ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় অ্যাপ খুঁজে পেতে পারবেন। শুধু গুগলে প্লে নয়, ওয়েব থেকেও অ্যাপ খুঁজে বের করার সুযোগ থাকবে। এতে ডেভেলপারদের অ্যাপ সহজে ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়বে।

    গুগলের দাবি, নতুন এই সুবিধা অভিজ্ঞ ডেভেলপারদের দ্রুত প্রোটোটাইপ তৈরিতে সহায়তা করবে, পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান কম থাকা নতুন নির্মাতারাও সহজে অ্যাপ বানাতে পারবেন।

    ওয়েবভিত্তিক টুল ব্যবহার করে এআই সহায়তায় অ্যাপ তৈরির এই উদ্যোগের মাধ্যমে গুগল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে কার্সর, রেপ্লিট, ক্লড কোডসহ অন্যান্য এআইভিত্তিক কোডিং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে।

    গুগল জানিয়েছে, নতুন অ্যাপগুলো তৈরি হবে কটলিন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে এবং এতে থাকবে তাদের জেটপ্যাক কম্পোজ টুলকিটের সমর্থন। পাশাপাশি জিপিএস, ব্লুটুথ ও এনএফসি’র মতো হার্ডওয়্যার সেন্সরও যুক্ত করা যাবে।

    তবে আপাতত তৈরি করা অ্যাপগুলো ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে। পরিবার ও বন্ধুদের জন্য অ্যাপ প্রকাশের সুবিধা এখনও উন্নয়নাধীন রয়েছে।

    প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ইউটিলিটি অ্যাপ, সাধারণ সামাজিক যোগাযোগ অ্যাপ, হার্ডওয়্যারভিত্তিক অভিজ্ঞতা কিংবা এআইচালিত অ্যাপ তৈরি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে গুগল।

    বর্তমানে ব্যবহারকারীরা ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যেই থাকা অ্যান্ড্রয়েড এমুলেটর ব্যবহার করে অ্যাপের প্রিভিউ দেখতে ও পরীক্ষা করতে পারবেন। পরে ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ইনস্টল করা যাবে।

    এছাড়া ডেভেলপাররা চাইলে এআই স্টুডিওর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাপ রেকর্ড তৈরি, অ্যাপ বান্ডেল প্যাকেজিং এবং গুগল প্লে কনসল-এ আপলোডও করতে পারবেন। এতে অ্যাপ উন্নয়নের কাজ আরও সহজ হবে।

    ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীরা তাদের তৈরি অ্যাপ পরিবার ও বন্ধুদের জন্য প্রকাশ করতে পারবেন। পাশাপাশি ফায়ারবেস ইন্টিগ্রেশনসহ আরও বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে গুগলের।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়