জেড নিউজ, ঢাকা:
কর্মক্ষেত্র, বাসা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানান কারণেই অন্যের সঙ্গে রাগারাগি হতে পারে। বন্ধু ও সহকর্মীদের কোনো অন্যায় আচরণ ও আবদার আপনার খারাপ লাগতে পারে। হুট করে প্রচণ্ড রেগে যেতে পারেন। রাগ মানুষের সহজাত আবেগ, কিন্তু হুট করে মাত্রাতিরিক্ত রেগে যাওয়া ভালো নয়। বিশেষ করে রেগে যাওয়ার পর নিজেকে কোনোভাবেই শান্ত না করতে পারলে শারিরীক ও মানসিক ক্ষতি হয়।
হঠাৎ অতিরিক্ত রেগে গেলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ হয়। এগুলো দ্রুত রক্তনালিকে সংকুচিত করে। এতে রক্তপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই রেগে গেলেও নিজেকে কীভাবে দ্রুত শান্ত করা যায় সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে।
প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে ভাবুন
রেগে গেলে মানুষ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখান। এটা ঠিক নয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া থেকে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হতে পারে। মানুষ ভুল করার পর অপরাধবোধে ভোগেন। তাই প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে ভাবুন। কয়েক সেকেন্ড সময় নিন।
অনুভূতি প্রকাশ করুন
আপনি কেন রাগ করেছেন, সঙ্গী-সহকর্মী-বন্ধুর কোন আচরণে কষ্ট পেয়েছেন, তা প্রকাশ করুন। তবে চিৎকার করে নয়। শান্তভাবে গুছিয়ে বলুন।
নড়াচড়া ও ব্যায়াম করুন
প্রচণ্ড রেগে গেলে আপনি খানিকটা নড়াচড়া করুন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ হাঁটুন বা দৌঁড়ান। এতে রাগ অনেকটা কমবে। কমবে মনের ওপর চাপও।
স্থান পরিবর্তন করুন
যে পরিবেশে বা যে পরিস্থিতিতে আপনার রাগ হয়েছে, সেখান থেকে চলে যেতে পারেন। অর্থাৎ এই পরিবেশ থেকে নিজেকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিলে অনুভূতি হালকা হয়। এতে নিজেকে সামলানো সহজ হয়। সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ভয় থাকে না।
অন্যদিকে মনোযোগ দিন
রাগ নিয়ন্ত্রণে অন্যদিকে মনোযোগ দিন। নিজেকে শান্ত করতে কিছুক্ষণ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। পছন্দের গান শুনতে পারেন। আবার নিজের মনের কথা ডায়েরিতে লিখে ফেলতে পারেন। এতে রাগের অনুভূতি কমে।



