২০/০৫/২০২৬, ২৩:০৭ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    আজ বিশ্ব মৌমাছি দিবস

    জেড নিউজ ডেস্ক :

    আজ ২০ মে, বিশ্ব মৌমাছি দিবস। মৌমাছি ও অন্যান্য পরাগায়নকারী প্রাণীর গুরুত্ব এবং পরিবেশ ও কৃষিতে তাদের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১৭ সালে জাতিসংঘ ২০ মে’কে বিশ্ব মৌমাছি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদযাপন শুরু হয়।

    দিবসটি পালনের পেছনে রয়েছে আধুনিক মৌমাছি পালনের জনক হিসেবে পরিচিত স্লোভেনীয় মৌচাষি পালক অ্যান্টন জনসার  জন্মদিনের স্মৃতি। ১৭৩৪ সালের ২০ মে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌমাছি শুধু মধু উৎপাদনেই নয়, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফুলের পরাগায়নের মাধ্যমে ফল, শস্য ও বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বাড়াতে মৌমাছির অবদান অপরিসীম। পৃথিবীর প্রায় ৭৫ শতাংশ খাদ্যশস্য কোনো না কোনোভাবে পরাগায়নের ওপর নির্ভরশীল, আর এই কাজে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে মৌমাছি।

    বাংলাদেশে সচরাচর দেখা যায় ‘এপিস ইন্ডিকা’ প্রজাতির মৌমাছি। এরা গাছের কোটর, দেয়ালের ফাঁটল কিংবা বিভিন্ন আবদ্ধ স্থানে চাক তৈরি করে বসবাস করে। তাদের উৎপাদিত মধু উৎকৃষ্ট মানের হিসেবে পরিচিত।

    মৌমাছির সমাজব্যবস্থাও অত্যন্ত সংগঠিত। একটি মৌচাকে সাধারণত তিন ধরনের মৌমাছি থাকে রানি মৌমাছি, ড্রোন বা পুরুষ মৌমাছি এবং কর্মী মৌমাছি। কর্মী মৌমাছিরাই ফুল থেকে মধু ও পরাগ সংগ্রহ, চাক নির্মাণ এবং বাচ্চাদের পরিচর্যার কাজ করে।

    মৌমাছির তৈরি মধু শুধু সুস্বাদুই নয়, ঔষধিগুণেও সমৃদ্ধ। বিশেষ করে বাংলাদেশের সুন্দরবন অঞ্চলের মধু স্বাদ, সুগন্ধ ও গুণাগুণের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এছাড়া মৌমাছির তৈরি প্রাকৃতিক মোম থেকে পরিবেশবান্ধব মোমবাতিসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়।

    বিশ্বে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার প্রজাতির মৌমাছি রয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, কীটনাশকের ব্যবহার ও বন উজাড়ের কারণে মৌমাছির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন পরিবেশবিদরা। তাই মৌমাছি ও তাদের আবাসস্থল রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে বিশ্ব মৌমাছি দিবসে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়