২১/০৫/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    ‘স্কুলের চাপে’ ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ, ব্রাইট স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    জেড নিউজ, ঢাকা:

    এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার পর রাজধানীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।

    তাদের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষের ‘চাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে’ স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুন নাহার আত্মহত্যা করেছে।

    ওই কিশোরী বুধবার স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে আত্মহত্যা করলে সেই খবরে ক্ষোভ তৈরি হয় তার সহপাঠীদের মধ্যে। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তারা স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করে।

    দুপুরেও তাদের বিক্ষোভ চলছিল জানিয়ে কদমতলী থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তারা অভিযোগ করছে, তাদের সহপাঠী সাবিকুন নাহার স্কুলের চাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে আত্মহত্যা করছে।”

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ স্কুল ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছে বলেও জানান ওসি।

    দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের এক ছাত্রী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলে, বুধবার তাদের বাংলা ও অর্থনীতি বিষয়ের মডেল টেস্ট ছিল। সাবিকুন নাহারের অর্থনীতি পরীক্ষার প্রিপারেশন হয়ত ভালো ছিল না, সে পরীক্ষায় চুপচাপ বসে ছিল।

    “এক পর্যায়ে সে খাতায় কিছু একটা আঁকা শুরু করে। সেটা দেখতে পেয়ে ইকোনোমিকস মিস ওর খাতাটা নিয়ে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ হাসান লিটনের কাছে পাঠান। তিনি অনেকটা সময় ধরে সাবিকুনকে বকাঝকা ও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।”

    সাবিকুন নাহারের ওই সহপাঠীর ভাষ্য, “এক পর্যায়ে সাবিকুনের অভিভাবককে ঢেকেও গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করা হয়। পরে সাবিকুন বাসায় ফিরে গিয়ে আত্মহত্যা করে।

    ” এর আগেও লিটন সাহেব সাবিকুনের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। তার কারণেই সাবিকুন আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। আমরা লিটনের শাস্তি চাই।”

    বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের হাতের প্ল্যাকার্ডে ‘আমার বোনকে মারলি কেন?’, ‘হত্যার বিচার চাই, লিটনের বিচার চাই; এক দফা এক দাবি’, ‘আমার বোন সাবিকুন হত্যার বিচার চাই, লিটনের বিচার চাই’- ইত্যাদি স্লোগান লেখা দেখা যায়।

    দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীরা ব্রাইট গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন এবং অধ্যক্ষ মো. মাইদুর রহমান জেমকে স্কুল ক্যাম্পাসে অবরুদ্ধ করে। বেলা আড়াইটায় এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও তারা অবরুদ্ধ ছিলেন।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে মাসুদ হাসান লিটনকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়