নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ইস্পাহানি কোম্পানির বীণা-১৭ জাতের আমন ধান চাষ করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। নিয়মিত পরিচর্যা, সার ও সেচ দেয়ার পরও মাঠে দেখা মেলেনি ধানের শীষ। কৃষকদের অভিযোগ, নিম্ন মানের বীজ সরবরাহের কারণেই নষ্ট হয়েছে পুরো ফসল।
জেলার জলঢাকার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব শিমুলবাড়ি নিচপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে ইস্পাহানি কোম্পানির স্বপ্ন মেয়াদি বীণা-১৭ জাতের আমন ধান রোপণ করেছিলেন কৃষকরা। নিয়মিত সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও সেচ দিলেও মাঠজুড়ে এখন শুধু হতাশার চিত্র। কৃষকদের দাবি, কোম্পানি নিম্ন মানের বীজ সরবরাহ করায় এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের।
অধিকাংশ কৃষক অভিযোগ নিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন ইস্পাহানি কোম্পানির ডিলার ফয়জুল হক। তবে চলতি মৌসুমে ৫ বস্তা বীজ ধান বিক্রি হয়েছে বলে জানান। তবে ইস্পাহানি কোম্পানির দাবি, এটি বীজের সমস্যা নয়। ব্লাস্ট রোগের কারণে ফসল
এদিকে, কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করছেন। মাঠ পর্যায়ে নমুনা সংগ্রহ করে কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



