জেড নিউজ, ঢাকা :
মানুষ শখের বশে বিভিন্ন রকম প্রাণী পালন করে। এর মধ্যে বেশির ভাগ প্রাণী শুধু শখ পূরণ করলেও সেগুলো থেকে প্রাপ্তি খুব বেশি কিছু থাকে না। কিছু প্রাণী পালনের মাধ্যমে আবার শখ যেমন পূরণ হয়, তেমনি আনুষঙ্গিক উপকারও ভোগ করা যায়। এর মধ্যে উপকারী একটি প্রাণী হলো মোরগ।
কারণ মোরগ ভোররাতে মানুষের ইবাদতে সহায়তা করে।
নিস্তব্ধ রজনীর শেষ প্রহরে যখন চারদিক নিদ্রামগ্ন, তখন তার সুমধুর ডাক যেন মুমিন হৃদয়ে এক অদৃশ্য আহ্বান জাগিয়ে তোলে—উঠে দাঁড়াও, প্রভুর দরবারে হাজির হও। এ যেন প্রকৃতির বুকে স্থাপিত এক জীবন্ত অ্যালার্ম, যা মানুষকে দুনিয়ার ঘুম ভেঙে আখিরাতের জাগরণে ডেকে নেয়। তাইতো মহানবী (সা.) শেষরাতে ডেকে ঘুম ভেঙে দেওয়া মোরগকে গালি দিতে বারণ করেছেন।
হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা মোরগকে গালি দিয়ো না; কারণ সে নামাজের জন্য জাগিয়ে তোলে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫১০১)
অর্থাৎ মোরগকে গালি দেওয়া বা অপমান করা থেকে তিনি নিষেধ করেছেন, কারণ তার ডাকার মধ্যে উপকারিতা রয়েছে। রাতের কোনো সময়ে তার ডাক শুনে কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে পারে বা ফজরের নামাজের জন্য জেগে যেতে পারে। এভাবে মোরগ মানুষের কিয়াম (রাতের ইবাদত) ও সালাতে সহায়তা করে; তাই সে গালির নয়, বরং প্রশংসার উপযুক্ত।



