০৬/০৪/২০২৬, ১৯:১৩ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    এই ঘুঘুর বয়স ৪৪ বছর

    জেড নিউজ ডেস্ক

    সাধারণত একটি ঘুঘু পাখি খুব বেশি দিন বাঁচে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের আয়ু ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু সেই প্রচলিত ধারণাকে অবাক করা এক নজির দিয়ে বদলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পোষা ঘুঘু। তার নাম সুগার, আর তার বয়স এখন ৪৪ বছর ২ মাসেরও বেশি।

    যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে বসবাসকারী এই পাখিটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী জীবিত পোষা ঘুঘু হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক রেকর্ড সংস্থা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গত বছরের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে সুগারের এই কীর্তি ঘোষণা করে।

    এর আগে সবচেয়ে বেশি বয়সী পোষা ঘুঘুর রেকর্ড ছিল জার্মানির একটি পাখির দখলে। তার নাম ছিল মেথুসেলাহ। তবে সুগার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে অনেকটাই। মেথুসেলাহর চেয়ে প্রায় ১৫ বছর বেশি সময় বেঁচে আছে সে।

    সুগারের মালিক ৭৭ বছর বয়সী ডেওয়েন আরেন্ডার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মানুষ আর পাখির মধ্যে তৈরি হয়েছে গভীর বন্ধন। অরেন্ডারের কাছেই জন্ম হয়েছিল সুগারের। কারণ তার মা-বাবাও একসময় অরেন্ডারের পোষা ছিল। ফলে জন্মের পর থেকেই এই বাড়িটিই হয়ে ওঠে সুগারের স্থায়ী ঠিকানা।

    অরেন্ডার বলেন, ‘সুগার খুবই আনন্দে থাকে এবং তার সঙ্গে এক ধরনের বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তার ভাষায়, সে আমাকে খুব ভালোবাসে। আমাদের সম্পর্ক যেন দুই বন্ধুর মতো।’

    সুগারের জীবনে একসময় সঙ্গীও ছিল। তার নাম ছিল ‘রোজ’। কিন্তু ১৯৯৬ সালে রোজ মারা যাওয়ার পর থেকে সুগার একাই অরেন্ডারের সঙ্গী হয়ে আছে।

    মজার বিষয় হলো, সুগারের দৈনন্দিন অভ্যাসও বেশ ব্যতিক্রমী। সে প্রায়ই মালিকের পাশে সোফায় বসে টেলিভিশন দেখে। এই অভ্যাসের কারণে তার আরেকটি মজার ডাকনাম হয়েছে ‘ল্যাপ ডগ’। শুধু তাই নয়, কোথাও গান বাজতে শুরু করলেই সুগার পা নেড়ে যেন তাল মিলিয়ে দেয়।

    অরেন্ডার নিজেও দীর্ঘদিন ধরে সংগীত জগতের সঙ্গে যুক্ত। প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে তিনি এই পেশায় কাজ করছেন। তার কথায়, সুগারের সংগীতের প্রতি আলাদা আগ্রহ আছে। এমনকি তার তৈরি দুটি মিউজিক ভিডিওতেও সুগারকে দেখা গেছে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়