spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

এইচএসসির ফল: মিষ্টির দোকানে নেই আশানুরূপ বিক্রি

জেড নিউজ, ঢাকা:

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রাজধানীর মিষ্টির দোকানগুলোতে অন্যান্য বছরের মতো ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়নি। প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি না হওয়ায় কিছুটা হতাশ ব্যবসায়ীরা। তবে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে বিক্রি বাড়তে পারে বলে আশা করছেন তারা। রাজধানীর বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা যায়, ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিষ্টি কেনার আগ্রহ থাকলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। সকাল থেকে কয়েক দফা বৃষ্টি হওয়ায় দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনাও কিছুটা কম ছিল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর বিজয়নগরে মুসলিম সুইটসের ক্যাশিয়ার রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার পাসের হার কম। তবে প্রস্তুতি হিসেবে আমরা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মিষ্টি তৈরি করেছি। কিন্তু সেই অনুপাতে বিক্রি হয়নি। তিনি বলেন, সার্বিক বিবেচনায় বিক্রি মোটামুটি বেড়েছে, তবে আমরা যেমনটা আশা করেছিলাম, তেমন হয়নি। মালিবাগের বনফুল সুইটসেও কিছু ক্রেতাকে মিষ্টি কিনতে দেখা গেছে। তবে দোকানটির ব্যবস্থাপক জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সামগ্রিক বিক্রি কম।

ফল প্রকাশের পরপরই দোকানগুলোতে যে ধরনের ভিড় দেখা যেত, এবার তা নেই। মিষ্টি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম নামের একজন অভিভাবক বলেন, মেয়ের ফল ভালো হয়েছে। তাই পরিবারের সবাই মিলে মিষ্টি কিনতে এসেছি। তবে এবার অনেকের ফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। সে কারণে হয়তো আগের মতো মিষ্টি কেনার উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না।প্রাণ গ্রুপের মিষ্টির ব্র্যান্ড মিঠাইয়ের বিক্রয়কেন্দ্র ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মূল সড়ক, এমনকি অলিগলিতেও দেখা মেলে।

মালিবাগ আবুল হোটেল এলাকায় মিঠায়ের বিক্রয়কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল কাদের বলেন, পরীক্ষার ফলাফলকে কেন্দ্র করে এ মিষ্টি বিক্রি আগামীকাল ও পরশু পর্যন্ত চলবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাত-আট বছর আগেও এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনে সাধারণ সময়ের তুলনায় তিন-চার গুণ মিষ্টি বিক্রি হতো। করোনার পর সেটি দ্বিগুণে নেমে গেছে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন মিষ্টি কেনার একটি প্রচলন অনেক আগে থেকে রয়েছে। তবে এবার ফল প্রকাশের পরপরই সেই চিত্র দেখা যায়নি। ঢাকার অন্যান্য এলাকায় বিক্রি স্বাভাবিক। যদিও পরীক্ষার মিষ্টি বিক্রি কাল ও পরশু পর্যন্ত চলবে। তবে আগামী দিনগুলোতে বিক্রি বাড়ার আশা করে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছুটির দিন ও পরবর্তী সময়ে অফিস-আদালত খুললে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা মিষ্টি কিনে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এতে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়