৩০/০৪/২০২৬, ২০:১৬ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ও ব্যয় বৃদ্ধির নথি পাওয়া যাচ্ছে না: সিএজি

    নিরীক্ষা প্রতিবেদনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো ও প্রকল্পের অবকাঠামো চুক্তির প্রক্রিয়া এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতির তথ্য পাওয়া গেছে। উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের যথাযথ অনুমোদনের কাগজপত্র পায়নি বলে জানিয়েছে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সিএজি। এছাড়া, প্রতিবেদনে রূপপুর প্রকল্পের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে রাশিয়ায় হোটেল ও আবাসন ভাড়া নিয়ে অনিয়মের কথাও বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সরকারের মধ্যে ২০১১ সালে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে দুটি ইউনিটের মাধ্যমে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা হয়। কিন্তু ২০১৫ সালে রাশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে প্রতি ইউনিটে এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা হয়।

    সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত কোনো নথি তারা নিরীক্ষার সময় খুঁজে পায়নি। উৎপাদন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়ায় সোয়া লাখ কোটি টাকা।

    এছাড়া, প্রকল্পের আওতায় রাশিয়ায় যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য কোয়ালিটি ইন্সপেকশন ইউনিট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, যেখানে আবাসনের জন্য ভাড়া পরিশোধের প্রমাণ থাকলেও, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হোটেল ভাড়া বাবদ আরো দুই কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা দেখানো হয়েছে, যা ‘অযৌক্তিক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন নিরীক্ষকরা।

    প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সমঝোতা দল গঠন করা হলেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি তত্ত্বাবধানে এর সব কাজ হতো। ফলে অন্যদের খুব বেশি ভূমিকা রাখার সুযোগ ছিল না।

    এ বিষয়ে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুরু থেকেই বিতর্কিত। এসব অনিয়মের জন্য শুধু পতিত সরকারকে দায়ী করলে চলবে না, এর সঙ্গে জড়িত আমলাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
    জেড নিউজ, ঢাকা।

    জনপ্রিয়