জেড নিউজ, ঢাকা:
রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের (এমএসটিপিপি) নিরবচ্ছিন্ন পরিচালনা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ১ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে মালিকানাধীন বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল)।
এই অর্থ বরাদ্দ ও ছাড়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।
গত ১০ মে বিপিডিবির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে ১ হাজার ২৩৪ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে পঞ্চমবারের মতো ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে কেন্দ্রটি। মে মাসেও কেন্দ্রটির প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) ৭৫ শতাংশের বেশি রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, কেন্দ্রটির দৈনিক কয়লা ব্যয় বর্তমানে প্রায় ২৪ থেকে ২৬ কোটি টাকা। ফলে মাসিক কয়লা ব্যয় ৭০০ কোটি টাকার বেশি দাঁড়িয়েছে। এর বাইরে ঋণ পরিশোধ, ডিএসএএ তহবিল, কাস্টমস শুল্ক, খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং অন্যান্য আইনগত দায় মেটাতে আরও প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে মে মাসে আর্থিক ও পরিচালনগত কোনো ধরনের খেলাপি এড়াতে অবিলম্বে অন্তত এক হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিআইএফপিসিএল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বর্তমানে তাদের অনুকূলে বিপিডিবির কাছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি প্রত্যয়নকৃত বিল বকেয়া রয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগামী ঈদুল আজহার ছুটির কারণে মে মাসে শেষ ব্যাংকিং ও কার্যদিবস হবে ২৪ মে। ফলে ঋণ পরিশোধে খেলাপি, কয়লা আমদানিতে বিলম্ব এবং ডেমারেজ চার্জ এড়াতে ২০ মের মধ্যেই অর্থ ছাড় প্রয়োজন।
রামপাল মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এনটিপিসির যৌথ উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে। কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে দেশের জাতীয় গ্রিডে অন্যতম বড় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



