বলিউডের কিং খানকে কে না চেনেন। শুধু বলিউড নয়, বিশ্বের অন্যতম ধনী তারকা শাহরুখ খান। তবে শাহরুখ খান ধনী হয়েছেন কষ্ট করে। বাংলাদেশেও আছেন একজন কিং খান। তিনিও তারকা, তবে শোবিজের নন। বাংলাদেশে দুর্নীতির ‘কিং খান’নিঃসন্দেহে শাজাহান খান। দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসই যার অর্থ উপার্জনের প্রধান হাতিয়ার।
বৈধ কোনো আয় ছাড়াই তিনি বনে গেছেন হাজার কোটি টাকার মালিক। চাঁদাবাজি এবং দখল বাণিজ্যের জন্য তিনি আওয়ামী লীগের ভিতর সমালোচিত এবং বিতর্কিত। কিন্তু তার ছিল নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী।
লুটপাটের মাধ্যমে শাজাহান খান হয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। পরিবহন শ্রমিকনেতা হিসেবে বিগত আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরে এ খাতের চাঁদার অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন শাজাহান খান। বিআইডব্লিউটিএ ঘিরে এখনো চলছে শাজাহান খান বাহিনীর তান্ডব। অনেক কর্মকর্তাকে তারা জিম্মি করে নিজের অস্তিত্বের বিষয়ে জানান দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ১৫ বছরে শাজাহান খানের আয় বেড়েছে ৩২ গুণ। শাজাহান খানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সার্বিক কনস্ট্রাকশন, সার্বিক শিপিং লাইন চট্টগ্রাম, সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল হোটেল, সার্বিক পেট্রোল পাম্প সবকিছুই তার স্বজনদের নামে।
সূত্র জানায়, নৌমন্ত্রী থাকাকালীন শাজাহান খান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ২ হাজার কোটি টাকার বেশি সংগ্রহ করেছেন। তাছাড়া অন্য অন্য খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটেছেন সাবেক এই মন্ত্রী।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পরপরই আত্মগোপনে চলে যান শাজাহান খান ও তার পরিবারের সদস্যরা। ৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে শাজাহান খানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জেড নিউজ, ঢাকা।



