জেড নিউজ, ঢাকা:
সারাদেশে ২০২৫ সালে স্থগিত হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আজ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার প্রথম দিনে সকাল ১০টায় বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়। চলবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সময়সূচি অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে সাড়ে ১২টায় শেষ হবে।
তবে পার্বত্য তিন জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ভিন্ন সময়সূচিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসব জেলায় ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং সবশেষে ২০ এপ্রিল ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ- এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রী সমান হারে, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচিত হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কেউ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না। উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না। উত্তরপত্রে ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষর না থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়, উত্তরপত্রের কোথাও পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা, রোল নম্বর বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন লেখা যাবে না। খসড়ার জন্য আলাদা কাগজ দেওয়া হবে না; উত্তরপত্রেই খসড়া করে পরে তা কেটে দিতে হবে। উত্তরপত্র ছাড়া টেবিল, স্কেল, দেহ বা অন্য কোথাও কিছু লেখা যাবে না।
প্রশ্নপত্র বিতরণের পর এক ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না। পরীক্ষা শেষে ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়ে হল ত্যাগ করতে হবে। এছাড়া কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত অন্যান্য নিয়মও অনুসরণ করতে হবে।



