spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

মুক্তি পেলেন নেহা, অভিজিৎ দীপকে কোথায় জানতে চায় সিজেপি

জেড নিউজ ডেস্ক:

ভারতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্ষোভের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে দিল্লিতে। বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেওয়ার আগেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) প্রধান নেহা বোরা ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

পরবর্তীতে আইসা নেত্রী নেহা বোরাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সিজেপি প্রধান অভিজিৎকে কোথায় রাখা হয়েছে, তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহাসিক কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হলেও অভিজিৎ দীপকে এখনো পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, শান্তিবহালের কারণ দেখিয়ে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় অভিজিৎকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

শনিবার দিনের পরবর্তী অংশে তাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের (এসইএম) আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারায় আটকের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ছাড়া পান নেহা বোরা।

তবে সিজেপির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করা হবে বলা হলেও তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তা পরিবারের বা আইনজীবীদের জানানো হয়নি। আমরা এখনও তার সঙ্গে দেখা করতে পারিনি।

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই সাধারণ প্রতিবাদকারীদের আটকে রেখে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

নেহা বোরা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এ দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অহেতুক থানায় আটকে রাখা হচ্ছে। আজ আমি নিজে সেই বেআইনি আটকের সাক্ষী হলাম। সাধারণ মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়াই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।

 তিনি অনতিবিলম্বে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকেসহ আটক হওয়া সব নাগরিকের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, ‘ভোটের অধিকার ও সরকারের জবাবদিহি চাওয়াই কি অপরাধ? সাধারণ নাগরিকদের সারা রাত থানায় আটকে রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

উল্লেখ্য, শুক্রবার আটকের পর থেকেই দুই নেতার অবস্থান নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছিল। আইসার দাবি ছিল, নেহা বোরাকে মঙ্গোলপুরীর একটি অ্যান্টি-নারকোটিকস টাস্ক ফোর্সের কার্যালয়ে একা আটকে রাখা হয়েছিল এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়