spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’

জেড নিউজ, ঢাকা:

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এ অবস্থায় বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।

যার বায়ুমান স্কোর ২০১। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে গত কয়েক দিন ধরেই ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর। আজ ১৫৮ স্কোর নিয়ে তালিকার ৯ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, এদিন বিশ্বের বায়ুদূষণ শহরগুলোর তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ২০১।

বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া বায়ুমান স্কোর ১৯৪ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর এবং একই স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, ১৮৬ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং পঞ্চম স্থানে থাকা ভারতের কলকাতার বায়ুমান।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়