জেড নিউজ ডেস্ক, ঢাকা।
শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, ঐতিহাসিক এক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৮ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যুক্তরাজ্য সময় বুধবার সন্ধ্যায় লন্ডন ছাড়বেন তিনি। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা নাগাদ পা রাখবেন দেশের মাটিতে। তাকে সংবর্ধনা দিতে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় বিএনপি।
দলের আশা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সংবর্ধনায় অর্ধ কোটির বেশি নেতাকর্মী জমায়েত হবে ঢাকায়। এজন্য বাস, ট্রেন ও ট্রাকসহ যে যেভাবে পারছেন নেতাকে একপলক দেখতে ব্যানার, ফেস্টুন হাতে ঢাকার পথে রওয়ানা হয়েছেন। রাজধানীও এরইমধ্যে ছেয়ে গেছে ব্যানার-বিলবোর্ডে। তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে নেতাকর্মীরা নগরীর প্রধান সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ঝুলিয়েছেন ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার ও বিলবোর্ড। এতে বড় অক্ষরে লেখা-‘লিডার আসছে, হে বিজয়ী বীর, তোমাকে স্বাগত।
বিএনপি নেতাদের দাবি, তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে যে উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে, তাতে উপস্থিতির দিক দিয়ে অতীতের সব আয়োজন ছাড়িয়ে যাবে। নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই গণসংবর্ধনায় অংশ নেবেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ছাড়া অন্য দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। বসে নেই হিথ্রো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও। তারেক রহমানের ফেরা উপলক্ষে তারাও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
বিমানবন্দর থেকে কড়া নিরাপত্তায় পূর্বাচলের তিনশ ফিটের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তারেক রহমান। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানাবেন নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ। জনসমাগম যত বড়ই হোক, সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করতে বলেছেন দলের নেতারা।
এদিকে, পুরো আয়োজন সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা। দফায় দফায় দলটির শীর্ষ নেতারা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে দলের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকেও নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পূর্বাচল এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।
সংবর্ধনা শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান। পরে গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসায় উঠবেন তিনি।



