বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক করে ফেরত পাঠানো সোনালি খাতুন ও তার পরিবার নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা সোনালিকে গত ২৬ জুন দিল্লি পুলিশ তার স্বামী ও ছেলেসহ আটক করে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। বর্তমানে তারা বাংলাদেশে কারাগারে বন্দি।
বুধবার বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত প্রশ্ন তোলেন, সোনালি ও তার পরিবারকে কি আবার ভারতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব? শুনানিতে সোনালির আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী আদালতে তার দাদু ও বাবার ভোটার কার্ড, জমির দলিল এবং আট বছরের ছেলের জন্মসনদ পেশ করেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, সোনালির নিজের জন্মসনদ উপস্থাপন করা হয়নি।
আদালতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো ১৬৩ জনের তালিকায় সোনালি, তার স্বামী ও ছেলের নাম ছিল। এর আগে সোনালির বোন দিল্লি হাইকোর্টে দুটি রিট দায়ের করেছেন। সোনালির বাবা ভদু শেখও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন এবং ফেরত পাঠানোকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তার পরিবারকে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানান। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের এখতিয়ারের বাইরে, কারণ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা দিল্লিভিত্তিক।
আইনজীবী চক্রবর্তী নজির হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিক আমির শেখের ঘটনার উল্লেখ করেন, যিনি বাংলাদেশি সন্দেহে ফেরত পাঠানো হলেও পরবর্তীতে আবার ভারতে ফিরে আসেন। তবে কেন্দ্রের আইনজীবী জানান, আমিরের বিরুদ্ধেও মামলা চলমান। দুই পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালত শুক্রবার পর্যন্ত রায় সংরক্ষণ করেছে
জেড নিউজ , ঢাকা ।



