জেড নিউজ, ঢাকা:
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের পাশাপাশি এবার নারীদের রান্নার কষ্ট লাঘবে ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শায় ঐতিহাসিক উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এদিন দুপুর ১২টার দিকে যশোরের শার্শায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের প্রতিটি সাধারণ ও নারী প্রধান পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সরকার এবার ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মা-বোনদের একটি কারণে খুব কষ্ট হয়, সেটি হচ্ছে রান্নার কষ্ট। আমরা যেমন সারা দেশের মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছি, সেরকম আরেকটি কার্ড দিতে চাই; সেটি হবে এলপিজি কার্ড। এলপিজি গ্যাস এটি আমরা মা-বোনদেরকে পৌঁছে দেবো যেন তাদের রান্নার জন্য আর কষ্ট করতে না হয়।’
নারীদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া নারীদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ফ্রি করে দিয়ে গেছেন। প্রথমবার করেছেন স্কুল পর্যায়, দ্বিতীয়বার করেছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়। খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচির অংশকে আমরা আরও সামনে নিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, আমরা মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ডিগ্রি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চতর পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবস্থা করবো। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করব না, একই সঙ্গে আমাদের যে মেয়েরা ভাল রেজাল্ট করতে পারবে তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো যেন সরকার থেকে তারা আরও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে।
নারী প্রধান পরিবারের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম খাল খনন করবো, আমরা ওয়াদা রেখেছি। বলেছিলাম, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেবো। আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা চেষ্টা করবো দেশের সব গ্রামের মায়েদের হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার।
বক্তব্যের শেষে তিনি সব ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম- মসজিদের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারিভাবে সম্মানীর ব্যবস্থা করবো। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি।



