গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী এলাকার সাহারা সুপার মার্কেটসংলগ্ন রাসায়নিকের গুদামের আগুন নিভাতে গিয়ে মারা যান ফায়ার সার্ভিসের দুজন কর্মী। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাদের।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, দূর্ঘটনাকবলিত ফেমাস কেমিক্যালের পরিবেশের ছাড়পত্র ছিল না। ঘটনার পর থেকেই টঙ্গীর বেশিরভাগ কেমিক্যাল গোডাউন ও কারখানায় ঝুলছে তালা। মালিকরা গা-ঢাকা দিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কেঁচো খুড়তে বেরিয়ে এসেছে সাপ। সাহারা মার্কেট এলাকাটি যেনো একটি মৃত্যুকূপ। আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক কেমিক্যাল গোডাউন। এছাড়া, সমবায় কমপ্লেক্সের পাশেই রয়েছে ৪০-৫০টি কেমিক্যাল দোকান। অনেক দোকানে দাহ্য পদার্থ এমনভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে যে, যে কোনো সময় ঘটতে পারে আরো ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তর যেখানে স্পষ্ট জানিয়েছে, কেমিক্যালের গন্ধ ১০০ মিটারের মধ্যে মানুষের শরীরে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। শ্বাসকষ্ট, ত্বকের রোগ, এমনকি দীর্ঘমেয়াদি ক্যান্সারের মতো অসুখেরও কারণ হতে পারে, তবে কীভাবে আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কেমিক্যাল কারখানা ও গোডাউন গড়ে উঠল?স্থানীয়রা জানান, সরকারি সংস্থাগুলোর অব্যবস্থাপনা, অসাদু কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের যোগসাজস এবং দায়সারা লাইসেন্স প্রক্রিয়া—সব মিলিয়েই চলছে এ অপকর্ম। এলাকাটি পরিণত হয়ে অগ্নিঝুঁকির নগরীতে।
জেড নিউজ, ঢাকা।



