১৭/০৪/২০২৬, ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    বিজেপি’র দোসর কে এই প্রদ্যোৎ মানিক্য

    চট্টগ্রাম বন্দর দখলে নিতে চেয়ে আলোচনা-সমালোচনায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কথিত রাজা প্রদ্যোৎ মানিক্য দেব বর্মা। তিনি প্রায়ই বেফাঁস মন্তব্য করে আলোচনায় থাকেন। তার উদ্দেশ্যও এটাই। অথচ তার বাবা ছিলেন কংগ্রেসের সাংসদ ও মা ছিলেন বিধায়ক।

    ত্রিপুরী রাজ পরিবারের বর্তমান উত্তরসূরী মানিক্য দেবের রাজনীতিতে হাতেখড়িও কংগ্রেসের হাত ধরে। ছিলেন কংগ্রেসের একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ। সেই সমীকরণ পাল্টে মোদির চোখে পড়তে নিজ দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একসময় সমালোচনা শুরু করেন। আর ফাইনালি ২০১৯ সালে কংগ্রেসের হাত ছেড়ে দেন।

    এরপর মানিক্য দেবের মিশন হয়ে ওঠে বিজেপি’র আনুকূল্য পাওয়া। এজন্য কংগ্রেস ও বাংলাদেশ বিরোধী হয়ে ওঠেন। গত লোকসভা ভোটের আগে দেখা দেয় নয়া সমীকরণ। নজর কাড়েন মোদি –অমিত শাহর। ফলাফল ত্রিপুরায় বিজেপির প্রধান বিরোধী দল টিপ্রা মোথা পার্টি হয়ে যায় পদ্ম-জোটের অংশ। কয়েকজন বিধায়কসহ মানিক্য বাগিয়ে নেন দুটি মন্ত্রণালয়।

    একসময় উপজাতিদের ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য টাস্ক ফোর্স গঠনের প্রতিশ্রুতি দিতেন। জনগণের সমস্য়ার দ্রুত সমাধান, ২০ হাজার নতুন চাকরি, সর্বহারাদের জমি পাইয়ে দেয়ার কথা থাকলেও সেসব থেকে সরে এখন নিজের আখের গোছাতেই ব্যস্ত এই মানিক্য দেব।

    সামনে বিধানসভা নির্বাচন। তারআগে হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপিতে নিজের অবস্থান আরও পাকাপোক্ত করতে ভারতীয় মিডিয়ায় মোদির সেবাদাসের ভূমিকা পালন করছেন। যত বেশি বাংলাদেশ বিদ্বেষী তত বেশি মূল্যায়ন বিজেপিতে। তাইতো একটি স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশের অংশ দখলে নেয়ার মত বিতর্কিত মন্তব্য করতে দ্বিধা করেননি মাণিক্য দেব।

    এখানেই শেষ নয়, তার ভালোবাসা রয়েছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতিও। তাই এএনআইকে দেয়া সাক্ষাতকারে একমাত্র শেখ পরিবারকে তিনি ভারতের বন্ধু বলে অভিহিত করেন। আর বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে দাবি করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের উন্নয়নে চোখ জ্বলছে বিজেপি ও তার বন্ধু মানিক্যর।

    জেড নিউজ, ঢাকা।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়