ছি! আওয়ামী লীগ, ছি! বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বলে দাবিদার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নিউইয়র্কে যে কান্ড ঘটলো তাতে, ছি! আওয়ামী লীগ, ছি!- এই বলা ছাড়া আর কোনো ভাষা আমি খুঁজে পাচ্ছি না; এমন ভাবেই সঞ্চালক তার টক শো’ শুরু করেন।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮০তম অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে যোগ দিতে যাওয়া বাংলাদেশী রাজনীতিবিদদের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘প্রথম কলকাতা’ এই টক শো’র আয়োজন করে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম যেখানে এ হামলার বিষয়ে তেমন প্রতিবাদ জানায়নি সেখানে ঘটনাটিকে ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে ফুঁসে উঠেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
এতে বলা হয়, এনসিপির নেতা আখতারের উপর হামলা ন্যাক্কারজনক। যে অশ্রাব্য ভাষায় এনসিপির নেতাদের গালিগালাজ করা হয়েছে তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। ঘটনাটি আওয়ামী লীগের দৈন্যদশা সামনে নিয়ে এসেছে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও আলোচক দু’জনই একমত পোষণ করেন যে, বিদেশের মাটিতে রাজনীতিকদের এভাবে গালিগালাজ করা ও ডিম ছুঁড়ে মারাকে যদি তারা দেশপ্রেম বলে, তাহলে বলতে হয়, ২০২৪-এ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে হওয়া গণঅভ্যুত্থানটি অনিবার্য ছিলো।
ভারতীয় সাংবাদিক পরমাশীশ ঘোষ রায় আওয়ামী লীগের এ কর্মকান্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এমন আচরণের জন্য ভবিষ্যতে বিদেশে মাটিতেও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হতে পারে। বিদেশের মাটিতে সরকার প্রধান বা নিজ দেশের রাজনীতিকদের লাঞ্ছিতের ঘটনা নিয়মিতই ঘটাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা, যা সহসায় দলটির রাজনীতিতে ফেরার পথকে আরো কঠিন করে দিচ্ছে।
তারা বলেন, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কমবে। বিশেষত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আওয়ামী লীগের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিবেন। দেশের জনগণও এর ফলে আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে বলে মনে করেন ভারতীয় সাংবাদিকরা।
পাশাপাশি, এমন ঘটনা কলকাতা বা দিল্লীতেও ঘটতে পারে, যেহেতু সেখানে আওয়ামী লীগের প্রচুর নেতাকর্মী আশ্রয় নিয়েছেন- এমন আশংকাও প্রকাশ করেন তারা।
জেড নিউজ, ঢাকা।



