১২/০৫/২০২৬, ২১:৫০ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    ঈগল পাখির সংগ্রামী জীবন

    জেড নিউজ ডেস্ক :

    পাখিদের ভিতর ঈগল পাখির জীবন যাত্রাটা একটু ভিন্ন অন্য পাখিদের তুলোনায়। প্রতিটা ঈগল পাখি গড়ে প্রায় ৭০ বছর করে বাঁচে। কিন্তু ঈগল পাখির বয়স যখন ৪০ এ আসে তখন জিবনটা একটু কষ্টের হয়ে দাঁড়ায়। ৪০ বছরে এসে অনেক ঈগল পাখি মারা যায় জীবন সগ্রামে হেরে।কিছু ঈগল থাকে খারাপ ঐ সময়টাকে কাটিয়ে উঠতে পারে।

    ৪০ বছরে যখন একটা ঈগল পাখি পোঁছাই তখন ঈগল পাখি ঠিক মত শিকার করতে পারে না। কারণঃ ঐ সময়টাতে ঈগলের ঠোঁটটা অনেক ভারি, মোটা আর ভোঁতা হয়ে যায়। পাখা গুলো ভারি ও পালক পুরোতন হয়ে যায়। পায়ের নখ গুলো অনেক বড় হয়ে বাঁকিয়ে যায়। কিছুটা গোল আকৃতি ধারণ করে।

    যার জন্য ঠোঁট দিয়ে ঠিক মত শিকারকে আক্রমন করতে পারে না। নখ দিয়ে শিকারকে ধরতে পারে না। আর পাখা ভারির জন্য উড়তেও পারে না। যে কারণে ঐ অবস্থাই বেঁচে থাকাটা অনেক কষ্টের হয়ে যায়।

    এই অবস্থাতে কিছু ঈগল মারা যায়।

    কিছু ঈগল উচু পাহাড়ের চুঁড়াতে অবস্থান করে। নিজের ঠোঁটকে শক্ত পাথরে সাথে বাড়ি মেরে মেরে ঠোঁটটাকে ভেঙে ফেলে।

    অপেক্ষা করে নতুন ঠোঁট কবে আবার গজাবে। একটা নতুন ঠোঁট আবার নতুন করে গজাতে ৩ মাস সময় নেয় প্রায়। এর ভিতরে ঈগল পাখিটি কনো খাবার গ্রহন করে না। ইভেন পানি র্পযন্ত খায় না।

    অপেক্ষার পর যখন নতুন ঠোঁটের পুনরাবৃত্তি হয় , নতুন ধারালো ঠোঁট দিয়ে পায়ের নখ গুলো কেটে ফেলে। পাখার পালক গুলো ছিড়ে ফেলে। অপেক্ষা করে আরো ১ মাস নতুন পাখা আর নখের জন্য।

    আবার যখন নতুন পাখা , নখ ফিরে পায় তখন আবার ঈগল শিকারে বের হয়।

    এই প্রক্রিয়াটা প্রায় ৪ মাস ধরে চলতে থাকে।যে ঈগলটি র্পুণ চক্র ধরে রাখতে পারে সেটা ৭০ বছর র্পযন্ত বাঁচে। প্রায় সব ঈগল কে এই পরির্বতন বা লাইফ প্লাটর্ফমটা মেনে নিতে হয়।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়