জেড নিউজ স্পোর্টস:
২০২৫-২৬ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন দেখছেন হ্যারি কেইন। ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন শু হাতে পাওয়ার পর নিজের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তিও তুলে ধরেছেন বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার।
গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মোট ৭৩ গোল করেছেন কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বুন্দেসলিগায় ৩৬ গোল করে ইউরোপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। তার গোলের ওপর ভর করে জার্মান ক্লাবটি বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপের শিরোপাও জিতেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগেও সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল বায়ার্ন।
জাতীয় দলের হয়েও নিজের সেরা সময় কাটিয়েছেন কেইন। ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তোলার পথে ৬ গোল করেছেন তিনি। যদিও শেষ চারে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় ইংলিশদের। একইভাবে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজির কাছে হেরে যায় বায়ার্ন।
ব্যালন ডি’অরের সম্ভাবনা নিয়ে কেইন বলেন, ‘অক্টোবর পর্যন্ত এ নিয়ে অনেক আলোচনা হবে, সেটা আমি জানি। তবে এটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। গত মৌসুমে আমি যা করতে পেরেছি, সবই করেছি।’
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট কেইন আরও বলেন, ‘এটা আমার সেরা মৌসুম ছিল, সন্দেহ নেই। আমি যে দলগুলোর হয়ে খেলেছি, তাদের সঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করেছি।’
ট্রফি জিততে না পারলেও কেইনের ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ড্যানি মিলস। তার মতে, এবারের পুরস্কারের দৌড় আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উন্মুক্ত।
মিলসের ভাষায়, ‘ব্যালন ডি’অরের কথা বললে, এ বছর এখন পর্যন্ত হ্যারি কেইনই সম্ভবত সবচেয়ে ধারাবাহিক খেলোয়াড়। সে অসাধারণ ছিল। তবে ক্লাব ও জাতীয় দল—দুই জায়গাতেই মৌসুমজুড়ে একজনকে আলাদা করে সেরা বলা কঠিন। আমার মনে হয়, অনেক দিন পর এবার ব্যালন ডি’অরের লড়াই সবচেয়ে উন্মুক্ত।’
মিলসের মতে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিততে পারলে লিওনেল মেসির হাতে ব্যালন ডি’অর ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেত। কিন্তু বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়ায় এবার মেসির সেই সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে বলে মনে করেন তিনি।
আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এটি হবে পুরস্কারটির ৭০তম আসর এবং প্রথমবারের মতো প্যারিসের বাইরে আয়োজন করা হচ্ছে।





