spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

‘প্লেব্যাক সম্রাট’ এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর দিন আজ

জেড নিউজ ডেস্ক :

কত গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি? উত্তরটা নিজেও অবশ্য জানতেন না। তবে অনেকের মতে, সংখ্যাটা ১৫ হাজারের কম নয়! এর মধ্যে জনপ্রিয় গান কতগুলো? সেটার সংখ্যাও এত যে, অনেক শিল্পীর গোটা ক্যারিয়ারেও তত গান নেই। এমন নানা কারণেই তাকে বলা হয় ‘প্লেব্যাক সম্রাট’।

আজ সেই কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর দিন। ২০২০ সালের আজকের দিনে কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে চিরতরে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। তবে আজকের দিনে সিনেমা কিংবা সংগীত পাড়ায় তাকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি। অবশ্য বরাবরের মতই তার জন্মস্থান রাজশাহীতে স্মরণসভার আয়োজন করছে জেলা প্রেসক্লাব ও আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ।

এন্ড্রু কিশোরের জন্ম ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর, রাজশাহীতে। মা ছিলেন সংগীতানুরাগী, কিশোর কুমারের গান পছন্দ করতেন। সে কারণে পুত্রের নামও রাখেন ‘কিশোর’। আর মায়ের ইচ্ছেতেই তিনি আসেন গানে। স্বাধীনতার পরই তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল, রবীন্দ্র, লোক ও দেশাত্মবোধক সংগীতে তালিকাভূক্ত হন।

এন্ড্রু কিশোর মূলত চলচ্চিত্রের অদ্বিতীয় গায়ক। তার এই অপ্রতিদ্বন্দ্বী পথচলার শুরুটা ১৯৭৭ সালে, ‘মেইল ট্রেন’ ছবির মাধ্যমে। এতে আলম খানের সুরে গেয়েছিলেন ‘অচিনপুরের রাজকুমারী’। তবে এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠ শ্রোতাদের মনে জায়গা পায় ১৯৭৯ সালের ছবি ‘প্রতীজ্ঞা’র গান ‘এক চোর যায় চলে’ দিয়ে। এরপর একে একে তার ক্যারিয়ারে যুক্ত হতে থাকে শ্রোতানন্দিত সব গান।

তার গাওয়া কালজয়ী গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো ‘হায় রে মানুষ রঙিন ফানুশ’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যেখানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পদ্ম পাতার পানি নয়’ ইত্যাদি।

অনবদ্য গায়কীর সুবাদে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী হিসেবে আটবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পাঁচবার পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার। ২০২৪-এ তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে রাষ্ট্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়