spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

ট্রাম্পের নতুন বাণিজ্য পদক্ষেপে সুবিধাজনক অবস্থানে ঢাকা

জেড নিউজ, ঢাকা:

যুক্তরাষ্ট্র শ্রমমান ও জোরপূর্বক শ্রমসংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮৬টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে। নতুন এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর হলো, সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে।

বিপরীতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে পড়তে হয়েছে সর্বোচ্চ ১২.৫ শতাংশ শুল্কের আওতায়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী থাকতে পারে বলে মনে করছে সরকার।

তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করেছেন, কেবল কম শুল্ক সুবিধা দীর্ঘ মেয়াদে যথেষ্ট হবে না। শ্রমমান উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে দ্রুত উদ্যোগ না নিলে এই সুবিধা ধরে রাখা কঠিন হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২৩ জুলাই ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১-এর আওতায় নতুন শুল্ককাঠামো ঘোষণা করে। ওয়াশিংটন সময় ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) জানিয়েছে, শ্রমমান ও জোরপূর্বক শ্রমসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিচালিত তদন্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় ৬০টি অর্থনীতির আওতাভুক্ত ৮৬টি দেশের জন্য ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে আগে কার্যকর থাকা অস্থায়ী বৈশ্বিক ১০ শতাংশ শুল্ককাঠামোর পরিবর্তে নতুন দেশভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হয়েছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় এটিই অন্যতম বড় পুনর্বিন্যাস।

সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন তালিকাভুক্ত ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রয়েছে। বাংলাদেশ সেই তালিকার একটি। মন্ত্রণালয়ের মতে, শ্রমমান উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সহযোগিতার বিষয়গুলো বিবেচনায় বাংলাদেশ নিম্ন শুল্কস্তরে স্থান পেয়েছে।

ফলে প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হওয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত আপেক্ষিক সুবিধা পেতে পারে। বিশেষ করে মূল্য সংবেদনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতারা তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়ের উৎস হিসেবে বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়