জেড নিউজ ডেস্ক:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) খানজাহান আলী হল (খাজা হল) সংলগ্ন হরিণটানা থানাধীন ইসলামনগর মসজিদ গলির একটি বাড়িতে আজমল (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত আজমল হরিণটানা এলাকার কুতুবের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
হাসপাতালে নিয়ে আসার প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তারা কর্তৃপক্ষকে জানান, আজমল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথার চুল একপাশ দিয়ে কাটা।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবকেরা তার মৃত্যুর পর দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।
স্থানীয়রা কয়েজন বাড়ির মালিক জানান, রাত সাড়ে বারোটা, একটার দিকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দে শুনে বাইরে এসে তারা দেখেন পাশের একটা বিল্ডিং এর চতুর্থ তলার ছাদে কাউকে পেটানো হচ্ছে। পরে তাকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নির্যাতনকারীরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারি সে মারা গেছে। নিহত আজমল পাশের একটা বিল্ডিংয়ে থাকতো।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন (ওসি) জানান, ঘটনার বিষয় আমরা জানতে পেরেছি। নিহত আজমলের লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার পরিবার থানায় এসো অভিযোগ করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সালাউদ্দীন বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনা ঘটেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এরিয়ার বাইরে। খাজা হলের গেটের বাইরে একটি বাড়িতে। ওই বাড়িতে ছাত্রাবাস হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। যেখানে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কিছু শিক্ষার্থী ভাড়া থাকেন।




