spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

তুমুল সমালোচনায় কাওয়ালি শিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান

জেড নিউজ , ডেস্ক :

উপমহাদেশের বর্ষীয়ান কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রয়াণ দিবসে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে তুমু সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের নন্দিত গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সামা টিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পিতা-পুত্রের এই পরিবেশনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় তীব্র আলোচনা। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে শাহজামান আলী খান। সেখানে বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতিতে দুজন মিলে একটি কালাম (সুফি গান) পরিবেশন করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গান পরিবেশনের সময় উপস্থিত দর্শকরা আকাশে কাগজের টাকা উড়িয়ে দিচ্ছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।

ভিডিওর কমেন্ট বক্সে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কবরের কোনো সম্মান রাখা হয়নি।’

অনেকের মতে, কবরের সামনে এভাবে গান পরিবেশন এবং টাকা ওড়ানোর বিষয়টি শ্রদ্ধা জানানোর উপযুক্ত পদ্ধতি নয়।

একইসঙ্গে অনেকেই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ লিখে পুরো ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। কারও কারও প্রশ্ন, প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে এমন পরিবেশ তৈরি করা আদৌ কতটা সমীচীন।

যদিও রাহাত ফতেহ আলী খান ও তার ছেলে নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই সেখানে গান পরিবেশন করেছিলেন, তবু মাজারে গান গাওয়া এবং পরিবেশনার ধরন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক থামছে না।

 

সংগীতজীবনের শুরু থেকেই চাচা নুসরাতের সঙ্গে বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নিতেন রাহাত ফতেহ আলী খান। চাচার মৃত্যুর পর এককভাবে কাওয়ালি সংগীতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান কাওয়ালি শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রাহাত এবং নুসরাত ফতেহ আলী খানের সংগীতের উত্তরাধিকারও বহন করে চলেছেন।

 

শ্রদ্ধা জানানোর এ পদ্ধতি আদৌ সমীচীন কিনা, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে এখন জোর বিতর্ক চলছে।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের আগস্টে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মারা যান বিশ্বখ্যাত কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়