১৩/০৬/২০২৬, ১৫:৪৩ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    দেশে অশান্তি ও মানুষকে বিভ্রান্ত করাই বিরোধী দলের উদ্দেশ্য: প্রধানমন্ত্রী

    জেড নিউজ, ঢাকা:

    বাজেটের বিরোধিতা করায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটেও বিরোধী দল মানে না। মদ ও সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়, তাদের উদ্দেশ্য একটাই, সেটা হচ্ছে দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীলতা, অশান্তি তৈরি করা ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা।

    শনিবার (১৩ জুন) পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার পরপরই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যায় বলে একটি ধারণা তৈরি হয়। তবে আল্লাহর রহমতে এবার বাজেট ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত কোনো নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়নি। চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর আগে যেসব ট্যাক্স ছিল, বর্তমান সরকার সাম্প্রতিক বাজেটে প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপর থেকে তা প্রত্যাহার করেছে, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ না পড়ে এবং জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল থাকে।

    তিনি আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের মানুষকে ভালো রাখা। সেই উদ্দেশ্যেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। তবে মদ ও সিগারেটে ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে, যা মানুষের জন্য ক্ষতিকারক।

    বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের শক্তি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সরকারের সাথে জনগণের সমর্থন আছে বলেই, যতক্ষণ আমাদের দেহে প্রাণ থাকবে, আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের জন্যই কাজ করে যাবো। এই কাজের মাধ্যমেই আমরা চেষ্টা করবো সর্বোচ্চ শক্তিতে দেশ ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করার জন্য, কারণ এই দেশই হচ্ছে বিএনপির প্রথম ঠিকানা ও শেষ ঠিকানা।

    উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘তাহলে এবার বিরোধীদলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? লক্ষ্য বুঝতে পেরেছেন? ‘তাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, তাদের লক্ষ্য একটাই—সেটা হচ্ছে, দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীলতা, অশান্তি তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।’

    প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামী জুলাই থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে আগামী এক বছরের ভেতরে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৮ থেকে প্রায় ১০ হাজার কৃষকের কাছে ‘কৃষক কার্ডের’ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়