জেড নিউজ, ঢাকা:
একীভূত দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুরনো শেয়ারহোল্ডারদের আবার মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা ব্যাংকিং খাতকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এক গোলটেবিল বৈঠকে বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, “একীভূত ব্যাংকগুলো থেকে যারা অর্থ পাচার করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”
তিনি বলেন, তাদের শাস্তি দেওয়ার বদলে আবার এসব ব্যাংকের মালিক হিসেবে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। “কেন এই সুযোগ দেওয়া হলো? এমন সুযোগ দিলে ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি আরও বাড়বে।”
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত “সংশোধিত ‘ব্যাংক রেজোলিউশন আইন, ২০২৬’: আবারও কি ঝুঁকির মুখে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা?” শীর্ষক আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন, রাজনীতিবিদ সারওয়ার তুষার, সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুশতাক খান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, সিএফএ সোসাইটির সভাপতি আসিফ খান এবং বাংলাদেশ-থাই চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শামস মাহমুদ।
তৌফিক আহমদ বলেন, “আইন থেকে মাফ পাওয়ার জন্যই নতুন নতুন আইন করা হয়েছে। পুনঃতফসিলি করতে আগে ডাউনপেমেন্ট করা যেত ১০ শতাংশ দিয়ে, বর্তমানে তা ১ শতাংশ দিয়েই করা যায়। অর্থাৎ ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে সেটা খেলাপি হচ্ছে, আবার প্রয়োজনে মাত্র ১ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দিয়ে তা খেলাপি থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “যতই রেজুলেশন আইন করেন না কেন, ব্যাংক খাতকে যতদিন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত করতে না পারবেন, ততদিন কোন সমাধান আনা সম্ভব হবেনা।’



