জেড নিউজ ডেস্ক:
রোজার সময় শরীরে পানির ঘাটতি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। দীর্ঘ সময় পানি না খাওয়ার কারণে শরীরের পাশাপাশি ত্বকও পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে। তাই এই সময় ত্বককে সজীব ও আর্দ্র রাখা বিশেষভাবে জরুরি। অনেকের ধারণা, ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে সেটি নিশ্চয়ই পর্যাপ্ত আর্দ্রতাযুক্ত। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। শুষ্ক, মিশ্র কিংবা তৈলাক্ত সব ধরনের ত্বকেই ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
ডিহাইড্রেটেড ত্বক বলতে বোঝায় ত্বকের ভেতরে পানির অভাব। এই সমস্যা দীর্ঘদিন অবহেলা করলে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়, সংবেদনশীলতা বাড়ে এবং সময়ের আগেই ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাই ত্বকের পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো আগে থেকেই চিহ্নিত করা এবং সঠিক যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ত্বক হাইড্রেটেড রাখতে যা করা যেতে পারে–
১. কঠিন বা হার্ড ক্লিনজার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল দূর করে দেয়। তাই পিএইচ-ব্যালান্সড ও মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো।
২. গ্লিসারিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড বা অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ সিরাম ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। মুখ ধোয়ার পর হালকা ভেজা ত্বকে সিরাম লাগালে এটি বেশি উপকার পাওয়া যায়।
৩. একটি ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার সিরামের পর ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে ত্বক দীর্ঘ সময় নরম ও সজীব থাকে।
৪. শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়, ভেতর থেকেও শরীরকে সজীব রাখা জরুরি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করা উপকারী।
ত্বকের পানিশূন্যতা সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। সময়মতো সঠিক যত্ন নিলে খুব সহজেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং ত্বক দীর্ঘদিন সতেজ ও সুস্থ রাখা যায়।



