জেড নিউজ, ঢাকা:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করা হবে।
দেশে ফিরে আপাতত তিনি এসএসএফ সুবিধা পাচ্ছেন না। তবে তার নিরাপত্তায় ‘কভার্ট অ্যান্ড ওভার্ট’নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম বলেন, কভার্ট অ্যান্ড ওভার্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা হচ্ছে, প্রকাশ্য ও গোপনে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়। প্রকাশ্যে পোশাকধারী এবং গোপনে গোয়েন্দা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট- এই তিন জোনে ভাগ করে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ছক। ইনার কর্ডনে দায়িত্ব পালন করবেন ‘চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স, সিএসএফ এর সদস্যরা। অন্যদিকে আউটার কর্ডনে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনীও।
খিলক্ষেতের ৩০০ ফুট এলাকার যে স্থানে তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে, সেই স্থানটি করা হবে সুইপিং। একই সঙ্গে সুইপিং করা হবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালও।সূত্র জানায়, তারেক রহমানের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট জোন। রেড জোনে যারা প্রবেশের সুযোগ পাবেন, তাদের বিশেষ সিকিউরিটি কার্ড দেয়া হচ্ছে। ইয়েলো জোনের জন্য থাকছে আলাদা কার্ড। এর বাইরে রয়েছে হোয়াইট জোন। এই জোনে প্রবেশ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।
তারেক রহমানের বাসভবন অফিসকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। বাসা ও অফিসের মাঝখানের দূরত্ব ও চলাচলের পথকে অতিগুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২৫ ডিসেম্বর রুটজুড়ে প্রতিটি থানা এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে। বিশেষ এসকর্টসহ একাধিক চেকপোস্ট থাকবে।দেশে ফেরার পর তারেক রহমান যাতায়াতের সময় পাবেন পুলিশি পাহারাসহ বিশেষ নিরাপত্তা। এ ছাড়া তাঁর বাসভবন ও অফিসে থাকবে নিরাপত্তা। উর্দিধারীদের পাশাপাশি সাদাপোশাকে গোয়েন্দারা তারেক রহমানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।



