মেহেরপুর প্রতিনিধি:
নদীর পাড় দখল রোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের প্রবণতা বাড়াতে মেহেরপুরের যাদবপুর গ্রামে ভৈরব নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে মেহেরপুর প্রেস ক্লাব।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তার ঊর্মি। এ সময় ভৈরব নদীর পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় নারী-পুরুষের মধ্যে গাছের চারাও বিতরণ করা হয়।
মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ফলদ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির প্রায় ৫শ’ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। গাছের চারা পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এমন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। অন্যদিকে নদীর পাড়ের মাটি ও প্রাকৃতিক পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে। নদীর পাড় দখল ও পরিবেশের ক্ষতি রোধে সামাজিক সংগঠনসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
মেহেরপুর সংসদীয় আসনের উন্নয়ন কাজ দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তার ঊর্মি বলেন, রাষ্ট্র ও মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের এমন সামাজিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ রক্ষা ও জনকল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার কাজ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির দায়িত্বও।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩১ দফায় উল্লেখ করেছেন পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপন করা হবে। মেহেরপুর প্রেস ক্লাব পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সমাজের প্রতিটি সংগঠনকে জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেন ইয়ামিন মুক্ত বলেন, সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় প্রেস ক্লাব। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে ভবিষ্যতেও সংগঠনটি কাজ করবে।
মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি রামিজ আহসানের উপস্থাপনায় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।





