spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন

জেড নিউজ, ঢাকা:

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল এলাকার সড়কটারী অংশে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। প্রায় ৬০ মিটার ব্লক পিচিং নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নদতীরবর্তী মানুষের মধ্যে ভাঙন-আতঙ্ক বেড়েছে। চলতি মৌসুমে বাঁধটির অন্তত ১৫০ থেকে ১৬০ মিটার এলাকায় ধসের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৬ সালে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীররক্ষা প্রকল্পের আওতায় এ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের মাত্র দুই বছর পর, ২০১৮ সাল থেকেই প্রায় চার কিলো বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিতে শুরু করে। প্রতিবারই জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। সর্বশেষ চলতি মাসের ১ জুলাই কাঁচকোল এলাকার তিনটি স্থানে প্রায় ১০০ মিটার ব্লক পিচিং ধসে যায়। তখন জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ১৫ দিনের মাথায় একই এলাকায় আবারও ধস দেখা দেয়।

উত্তর ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কাঁচকোল বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনেক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

চীনের দুঃখ যেমন হোয়াংহো তেমনি বাংলাদেশের দুঃখ ব্র্ক্ষপুত্র। এই নদীর ডান তীরে যে বাঁধটি আছে তা হুমকীর মুখে দীর্ঘদীন থেকে। প্রতিটি বর্ষা মৌসুমে যখন ভাঙ্গন হয় ডেবে যায় তখন সামান্য ২/৪ হাজার জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করা হয়। স্থায়ী কেন কাজ হয় না।একখানে ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রন করে অন্য খানে ভাঙ্গে। স্বল্প বস্তাদিয়ে কোন কাজে আসে না। এজন্য শুষ্ক মৌসুমে বড়ধরনের প্রকল্পদিয়ে বাস্তবায়ন করা হতো এবং মাঝে টি বাঁধ দেয়া হতো তা হলে ভাঙ্গন চিরস্থায়ী রোধ হতো।

পানি উন্নয়ন বোড যে কাজ করে তা দিয়ে কোন রকম কাজ হয়। নদীর স্থায়ী কোন কাজ হয় না। বাধেঁর পূব দিকের রাস্তা বিলীন হয়ে গেছে। এই বেড়ি বাঁধটি যদি পশ্চিম দিকে আসে তখন হাজার হেক্টর জমি নষ্ট হয়ে যাবে। তাতে আমরা আরও ক্ষতিগ্রস্থ হবো। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ এটির বড় কোন পদক্ষেপ নেয়।

চলতি মাসের শুরুতে তিনটি স্থানে প্রায় ১০০ মিটার এবং বৃহস্পতিবার আরো প্রায় ৬০ মিটার এলাকায় ধ্স দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে ৪০০ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। পাশাপাশি আরো ১২ হাজার জিও ব্যাগের অনুমোদন পাওয়া গেছে। কয়েকদিনের মধ্যে তা ফেলা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়