১৩/০৩/২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    চার সেতুর একটিরও অস্তিত্ব নেই, গায়েব ৩৪৩ কোটি টাকা

    পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ব্রিজ–সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ক্ষমতার দাপটে চারটি সেতু তৈরির কাজ বাগিয়ে নেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি মহিউদ্দিন মহারাজের ভাইসহ তার স্বজনরা। বাস্তবে এর একটিরও অস্তিত্ব নেই। অথচ গায়েব ৩৪৩ কোটি টাকা

    নদমূল্লা মাদরাসা হাট–চিংগুড়িয়া–কলোনি বাজার সড়কে ৩০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের কাজ পেয়েছিল মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান। চুক্তি হয় প্রায় ৪ কোটি টাকার। টাকা পেলেও সেতুটি নির্মাণ করেনি তারা।

    একই সড়কের আরেকটি ৩০ মিটার সেতুর কাজ পান মহারাজের আরেক ভাই সালাউদ্দিনের প্রতিষ্ঠান। সেই সেতুরও কাজ হয়নি। ফেব্রুয়ারিতে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ আইএমইডির পরিদর্শনে শুধু এই দুটি সেতুই নয়, আরও দুটি সেতুর অস্তিত্ব মেলেনি। অথচ কাগজে দেখানো হয়েছে ৯০–১০০ শতাংশ অগ্রগতি। কোনো কাজ না করেই এসব প্রকল্পের ১৩৭টি প্যাকেজ থেকে ৩৪৩ কোটি টাকার বেশি তুলে নেয়া হয়।

    এছাড়া আয়রন ব্রিজ পুনঃনির্মাণ প্রকল্পের ৯৩টি প্যাকেজে কাজ হয়নি, তবু বিল দেয়া হয় ২০৫ কোটি টাকার বেশি। এজন্য মহিউদ্দিন মহারাজ ও তার ভাইদের প্রভাবে এলাকার উন্নয়ন হয়নি, উল্টো জনদুর্ভোগ বেড়েছে- বলছেন এলাকাবাসী।

    আইএমইডি বলছে, এসব অনিয়মে এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক, জেলা অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারাও জড়িত। এলজিইডির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার ও হিসাবরক্ষক মোজাম্মেল হক সরাসরি এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মোজাম্মেল হক দুর্নীতির মামলায় কারাগারে থাকাকালেই মারা যান, আর সাত্তার এখনও আত্মগোপনে।

    জেড নিউজ, ঢাকা।

    জনপ্রিয়