জেড নিউজ ডেস্ক:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লিখিত ও ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তালিকায় নাম না থাকা অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন।
তবে এ ধরনের খবরকে বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে মন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক অ্যাডমিন পোস্টে এ মন্তব্য করা হয়।
পোস্টে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করছি যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।’
প্রাথমিকে নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদপ্রাথমিকে নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ
নিয়োগপত্র না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।’
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন/ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।




