spot_img

এ সপ্তাহের সেরা

সম্পর্কিত পোস্ট

‘কখনোই মাথা নত করব না’, ট্রাম্পকে পেজেশকিয়ানের হুঁশিয়ারি

জেড নিউজ ডেস্ক:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে ইরান কখনো মাথা নত করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক সমাধানের জন্য ইরান আলোচনায় প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

পেজেশকিয়ান বলেন, নিষেধাজ্ঞা, চাপ ও হুমকি যত বাড়বে, ইরানের জনগণের প্রতিরোধও তত বাড়বে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো মাথা নত করব না, কখনোই হাঁটু গেড়ে বসব না’

এর আগে মঙ্গলবার জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দিতে পারে। এর জবাবে পেজেশকিয়ান ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘দাদাগিরির মানসিকতার’ প্রকাশ বলে মন্তব্য করেন।

তবে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার পথ খোলা রাখার কথাও স্পষ্ট করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা সংলাপ, কূটনীতি ও আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে শক্তি প্রয়োগের ভাষা আমরা মেনে নেব না।’

পেজেশকিয়ান বলেন,‘যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেওয়া যেকোনো চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হতে হবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সবাই হরমুজ প্রণালি থেকে সুবিধা নেবে, অথচ আমাদের সেখানে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে না—এটা হতে পারে না।’

ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইরান শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচির অধিকার ছাড়বে না। তবে দেশটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চায় না বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘পরমাণু অস্ত্র নয়, শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তিতেও কোনো সীমাবদ্ধতা নয়।’

ভাষণের সময় পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহতদের ছবি দেখান। তিনি ইরানকে সন্ত্রাসবাদের জন্য দায়ী করার মার্কিন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন। বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আমাদের সন্ত্রাসী বলেছেন। অথচ আমরাই সন্ত্রাসবাদের শিকার।’

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে। কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া এই আলোচনাকে যুক্তরাষ্ট্র ‘গঠনমূলক ও আশাব্যঞ্জক’ বলে উল্লেখ করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, তাদের শর্তের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার এবং জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছাড়ার বিষয় রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয়