জেড নিউজ, ঢাকা:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে একটি গণতান্ত্রিক অবস্থা তৈরি হয়েছে। অতীতের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগোতে চাই। অর্থ পাচারের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গিয়েছিল।
সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারই প্রথম বাজেট ঘোষণার পর কোন নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। প্রস্তাবিত এ বাজেটকে তিনি ‘জীবনবান্ধব’ বাজেট বলেছেন। অর্থনৈতিক সংকট, অর্থ পাচার ও দুুর্নীতি সামনে রেখে বাজেট দিতে হয়েছে। এ বাজেটে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।
তারেক রহমান বলেন, এই সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে কিছু বিষয়ে ঐকমত্য ও কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও জনগণের মধ্যে আমরা আশার সঞ্চার করতে পেরেছি৷ যদিও আমরা সংসদে যতটা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছি, এর চেয়ে বেশি অতীত নিয়ে কথা বলেছি। তবে জনগণ চায় ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলি।
সংসদ নেতা বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি এ বাজেট দিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে অন্য বছরগুলোর মতো এ বছর বাজেটের আগে পরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। আমরা কিছুটা হলেও জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।
সরকারপ্রধান বলেন, এবারের বাজেট বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, এর মাধ্যমে অর্থনীতির একটি ভিত গড়ে তুলতে চাই। বাজেটের লক্ষ্য ন্যায়ভিত্তিক মানবিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা। নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার বোঝা লাঘব করার বাজেট। অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এ বাজেটের মূল লক্ষ্য।



