জেড নিউজ ডেস্ক :
শৈশব মানেই একসময় ছিল মাঠে ছুটে বেড়ানো, বৃষ্টির পানিতে ভিজে কাদা মাখামাখি করা, মাটির ঘ্রাণে ভরে ওঠা এক নির্মল আনন্দ। প্রযুক্তির এই যুগে সেই দৃশ্য যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
মোবাইল ফোন, ট্যাব ও ভিডিও গেমের জগতে বন্দি হয়ে পড়ছে শিশুরা। এমন বাস্তবতায় প্রতি বছর ২৯ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক কাদা দিবস। দিনটির মূল উদ্দেশ্য শিশুদের প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে আসা এবং কাদা-মাটির সঙ্গে মিশে খেলাধুলার আনন্দ উপভোগ করতে উৎসাহিত করা।
২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নেপালের কিছু শিক্ষক ও শিশু উন্নয়নকর্মীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক কাদা দিবসের যাত্রা শুরু হয়। মূলত তারা এমন একটি দিন উদযাপনের কথা ভাবেন, যেখানে বিভিন্ন দেশের শিশুরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিভেদ ভুলে একসঙ্গে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আনন্দ করতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে স্কুল, শিশু সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকে।



