নীলফামারী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে অনুদান দিচ্ছে অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী চীন। বাংলাদেশ শুধু জমির ব্যবস্থা করবে, চীনের অনুদানে এসব জমিতে হাসপাতাল নির্মিত হবে। এর একটি হবে উত্তরের জনপদ নীলফামারীতে।
জেলা সদরের চড়াইখোলা ইউনিয়নের আরাজি দারোয়ানি মৌজার প্রায় ২৫ একর জমির ওপর ১০০০ শয্যার এই হাসপাতালটি নির্মাণ করা হবে। এতে থাকবে অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইউনিট, জরুরি বিভাগ, ক্যানসার ও হৃদরোগ চিকিৎসা ইউনিটসহ আধুনিক ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি। থাকবে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, নার্স ও সহায়তা কর্মী।
হাসপাতালে ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ও ডায়ালাইসিসের সার্ভিস দিতে ২০০টি ডায়ালাইসিস যন্ত্র থাকবে। উন্নত চিকিৎসা পাওয়া যাবে বিধায় দেশের মানুষকে বাইরের দেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়ার নির্ভরতাও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, হাসপাতাল প্রকল্প ঘিরে জেলাজুড়ে এখন উৎসাহ-উদ্দীপনা।
এরইমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে গণপূর্ত বিভাগকে ডিজিটাল সার্ভে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সার্ভে শেষে নকশা জমা দেয়া হবে স্থাপত্য অধিদপ্তরে, তারপর শুরু হবে মূল নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি। জানিয়েছেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাকিউজ্জামান।
এই হাসপাতাল উত্তরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় আনবে যুগান্তকারী পরিবর্তন। চিকিৎসার পাশাপাশি এটি হয়ে উঠবে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রারও নতুন ভিত্তি। এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।



