বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য শুধু ভোট কারচুপি ও বিনাভোটের নির্বাচনই করেনি; সাথে রাষ্ট্রের সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইচ্ছেমত কাজ করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করলে তিনি সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হতে পারেন না। অথচ বিগত তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২৪ জন মন্ত্রী এমপির দৈত্ব নাগরিকত্ব ছিল।
সংবিধান অনুযায়ী যাদের সংসদ নির্বাচন করার যোগ্যতাই ছিল না তারা নির্বাচন করে রাষ্ট্রের প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপি বনে গিয়েছিল। মূলত দৈত্ব নাগরিকত্বের সুবিধা নিয়ে তারা নিজেদের এবং শেখ পরিবারের জন্য বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। সাবেক এমপি মন্ত্রীদের মধ্যে যাদের বিদেশে নাগরিকত্ব রয়েছে তারা হলেন: সালমান এফ রহমান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, মো. তাজুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. মাহবুব আলী, আব্দুস শহীদ, নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহ্মেদ, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আবদুস সোবহান মিয়া (গোলাপ), মাহফুজুর রহমান , সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহি্দ, আবদুর রহমান, মাহবুব উল আলম হানিফ, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (নাসিম), শামীম ওসমান, শফিকুল ইসলাম (শিমুল), হাবিব হাসান, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, এম এ ওয়াহেদ।





