জি নিউজ ডেস্ক।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই ছাপা হবে দেশের ছাপাখানায়। এতো বছর পাঠ্যবইয়ের একটি বড় অংশ ভারত থেকে ছেপে আনা হতো। এবার ভারতে বই ছাপার কাজ দেওয়া হয়নি। আগামী জানুয়ারির প্রথমদিকেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং দাখিল ও কারিগরির ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই হাতে পাবে।
ছাপা হবে ৪০ কোটিরও বেশি বই। দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে এবার ১ কোটি পাঠ্যবই সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। বর্তমান সরকারের তিন মাসে ২০৮ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ৫৩১ ।
পাশাপাশি জুলাই-আগষ্ট গন-অভ্যুথানে সাইদ, মুগ্ধর মতো শহীদদের নাম পাঠ্যবইয়ের অর্ন্তভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পাঠ্যপুস্তকে দলীয় উক্তি এবং হাসিনার নাম যুক্ত করতে মন্ত্রণালয়ের লোগোতে আনা হয়েছিল পরিবর্তন।
বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে যাদের ভূমিকা ইতিহাসে স্বীকৃত, তাদের অনেকের নাম মুছে ফেলা হয়, অনেকের জায়গা হয় এক-দুই বাক্যে। উপেক্ষা করা হয়, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, তাজউদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানসহ অনেকের অবদান। এসবের ফলে পাঠ্যপুস্তক গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে বলে মনে করে সম্মিলিত শিক্ষা আন্দোলন।





