অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর উল্ল্যেখযোগ্য পরির্বতন এসেছে প্রবাসি আয় তথা রেমিটেন্স খাতে। গণঅভ্যূত্থান দমনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ইন্টারনেন্ট বন্ধসহ নানাবিধ স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের কারনে প্রবাসিরা রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিতে থমকে যাওয়া রেমিটেন্সে প্রবাহ বাড়তে শুরু করে অন্তবর্তী সরকারের সহযোগিতায় ।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রেমিটেন্স এসেছে ৮ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার। গত বছর একই সময়ে রেমিটেন্সের প্রবাহ ছিল ৬ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রথম চার মাসে রেমিটেন্স বেড়েছে ২৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
এছাড়াও ড. ইউনূসের প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়া, লিবিয়া ও ক্রোয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগ বেড়েছে কয়েকগুন । এসব কর্মীদের সুবির্ধাথে ড. ইউনূস গত সোমবার বাংলাদেশ বিমানবন্দরে উদ্ভোধন করেন এক বিশেষ লাউঞ্জ ।
পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈষম্য বিরোধী ছা্এ আন্দোলনে সমর্থনে বিক্ষোভে করায় সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশীকে ছাড়িয়ে আনেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। যা এ সরকারে একটি উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য।
প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য





