জেড নিউজ ডেস্ক:
আসন্ন শীতের আগে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দেখা দিয়েছে চরম মানবিক সংকট। উপত্যকাটির প্রায় ২০ লাখ অধিবাসীর পুরো অংশই এখন জরুরি আশ্রয় সহায়তার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের প্রয়োজনীয় শীতকালীন সহায়তার মাত্র ১৭ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।
টানা সংঘাত, বারবার বাস্তুচ্যুতি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর ফিলিস্তিনিরা এখন বৃষ্টি, হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ও ভয়াবহ বন্যার মুখে কোনো ধরনের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই আরেকটি শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
আইওএম’র মতে, একদিকে মারাত্মক অর্থায়ন সংকট এবং অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশের ওপর কড়া বিধিনিষে-এই দু’টি কারণ পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে আইওএম’র মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, ‘যে পরিবারগুলো ইতিমধ্যেই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হয়েছে, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে শীত কাটানোর ন্যূনতম অধিকার তাদের রয়েছে। দ্রুত, নিরবচ্ছিন্নভাবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে আশ্রয় তৈরির সরঞ্জাম গাজায় ঢুকতে দিতে হবে।”
মানবিক সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইওএম জানিয়েছে, গাজার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা এলাকাগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ১৮ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নতুন করে বন্যার পানি এলে তাদের অবশিষ্ট অস্থায়ী ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, সামান্য সহায়-সম্বলটুকু ভেসে যেতে পারে এবং তারা আবারও নতুন করে বাস্তুচ্যুতির শিকার হতে পারেন।





