০৫/০৪/২০২৬, ২২:০৬ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    হাম হলে করণীয় কি

    জেড নিউজ, ঢাকা:

    হাম একটি সংক্রামক রোগ যা নাক ও গলায় থাকা একটি ভাইরাসের কারণে হয়। হামের ফলে গুরুতর অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি এবং এমনকী মৃত্যুও ঘটতে পারে।

    এক্ষেত্রে রোগীর ডায়রিয়া, কানের সংক্রমণ, মস্তিষ্কের ক্ষতি, শ্রবণশক্তি হ্রাস, অন্ধত্বের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভবতী মহিলা, শিশু, ছোট বাচ্চা এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

    হাম কীভাবে ছড়ায়

    কোনো সংক্রামিত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে হাম সহজেই বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। হামের টিকা না নেওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জনই এই ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে হামে আক্রান্ত হন। হামে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সঙ্গে একই বাতাসে থাকলে হাম হতে পারে, এমনকী সেই ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টা পরেও জীবানু থেকে যায়। সংক্রামিত ব্যক্তির মধ্যে উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেও হাম ছড়াতে পারে।

    হামের লক্ষণগুলো কী

    * উচ্চ জ্বর (১০১° ফারেনহাইট বা তার বেশি, যা ১০৪° ফারেনহাইটেরও বেশি হতে পারে)

    * কাশি

    * নাক দিয়ে পানি পড়া

    * চোখ লাল হয়ে পানি পড়া

    * মুখের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দাগ

    * লাল দাগের র‍্যাশ। কিছু দাগ সামান্য উঁচু হয়। সাধারণত মুখ বা চুলের গোড়া থেকে শুরু হয়ে শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

    যদি মনে হয় হাম হয়েছে, তাহলে কী করা উচিত

    লক্ষণগুলো দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

    আপনার আরও যা করা উচিত

    * মাস্ক পরতে হবে, যেন অন্যরা সংক্রমিত না হয়।

    * কাশি বা হাঁচির সময় টিস্যু দিয়ে মুখ ও নাক ঢাকুন এবং ব্যবহৃত টিস্যুটি ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন। টিস্যু না থাকলে, হাতে না ধরে জামার উপরের অংশ বা কনুইতে কাশি বা হাঁচি দিন।

    * সাবান ও পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

    * পানীয় বা খাওয়ার বাসনপত্র ভাগাভাগি করে ব্যবহার করবেন না।

    * ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় এমন পৃষ্ঠতল, দরজার হাতল, টেবিল, কাউন্টার এবং ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস জীবাণুমুক্ত করুন।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়