০৬/০৪/২০২৬, ১৯:১২ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    মার্কেট বন্ধ হলেও মাল্টিপ্লেক্স চালু রাখার দাবি নির্মাতা-প্রযোজকদের

    জেড নিউজ ডেস্ক :

    ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো তৃতীয় সপ্তাহেও দর্শকের উচ্ছ্বাস ধরে রাখলেও সন্ধ্যার পর মাল্টিপ্লেক্সে শো বন্ধের সিদ্ধান্ত নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে।

    সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট বন্ধ রাখায় প্রথমে কিছু বড় সিনেমা হল শো বন্ধ ঘোষণা করে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে অন্যান্য মাল্টিপ্লেক্সও একই সিদ্ধান্ত নেয়।

    এই পরিস্থিতিতে ঈদের সিনেমাগুলোর নির্মাতা ও প্রযোজকরা সরব হয়েছেন।

    এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানালেও সিনেমা হল বন্ধ রাখার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সেই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ‘দম’-এর নির্মাতা ও প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাতা তানিম নূর, ‘দম’ নির্মাতা রেদওয়ান রনি, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রযোজক সাকিব আর খান, ‘প্রেশার কুকার’ নির্মাতা রায়হান রাফী, ‘রাক্ষস’ প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি এবং ‘প্রিন্স’-এর প্রযোজক শিরিন সুলতানা।

    বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত তারা গ্রহণ করছেন। তবে মার্কেটের ভেতরে থাকা সিনেমা হলগুলোও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চলমান ঈদের সিনেমা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বড় ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

    নির্মাতা–প্রযোজকদের মতে, ঈদের সিনেমার মূল দর্শক সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতেই আসে। দিনের ব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক এই সময়েই পরিবারসহ প্রেক্ষাগৃহে যান। যদি ৭টার আগে শো বন্ধ হয়, বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন।

    তারা অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, আগে মার্কেট বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো।

    রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালানোর অনুমতি থাকত এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তারা।

    তাদের প্রধান দাবি, সিনেমা হলকে সাধারণ দোকানের আওতামুক্ত রেখে, মার্কেট বন্ধ থাকলেও প্রদর্শনী চালু রাখার সুযোগ দেওয়া হোক। এতে দর্শকরা পূর্ণ আনন্দ পাবেন এবং প্রযোজকরা বিনিয়োগ ফেরত পাবেন।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়