জেড নিউজ ডেস্ক:
দেশের দুটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনে উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
বগুড়া-৬ আসনে ভোটের মাঠে লড়ছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল-আমিন তালুকদার। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৫০টি, ভোটকক্ষ ৮৩৫টি। মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। এ আসনে নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রয়েছে ২৫০ জন, বিজিবি ৮ প্লাটুন (১৮৯ জন), রিহ্যাব ১০ টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন।
এদিকে, স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন-বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
এ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৩২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৬৯টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ভোটকক্ষ রয়েছে ৭৫১টি। শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচ অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মাঠে কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আজ ৯ এপ্রিল এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।



