১১/০৪/২০২৬, ১৫:৩১ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    সর্বজনীন শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষাঋণ কার্যক্রম জরুরি

    ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করার পর প্রতিবারই শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এমন কিছু পদক্ষেপ বা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, যা দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও কল্যাণকর বলে প্রতীয়মান হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর মানসম্মত সর্বজনীন শিক্ষাবিস্তারের লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেন, যার সুফল এখনো আমরা ভোগ করে চলেছি। নারীশিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে মেয়েদের জন্য মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়। শিক্ষাবৃত্তি চালু করা হয়। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বজনীন শিক্ষাবিস্তারের জন্য কার্যকর কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। দেশের বিভিন্ন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের কলেজে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে হতো।

    অনেকেই শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ে। এ সমস্যা দূরীকরণে আমি এবং আরও কয়েকজন বিদ্যানুরাগী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। তিনি আমাদের প্রস্তাবনা অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেন। আজ দেশে বিপুলসংখ্যক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। এটা মূলত বেগম খালেদা জিয়ার কল্যাণেই সম্ভব হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের স্বৈরশাসনামলে শিক্ষাকে কার্যত বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়। উপযোগিতা বিবেচনা না করেই দলীয় সমর্থকদের ঢালাওভাবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। একশ্রেণির প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে, যাদের উদ্দেশ্য মানসম্মত শিক্ষাবিস্তার নয়, শিক্ষার নামে বাণিজ্যিক স্বার্থ হাসিল করা। ফলে উচ্চশিক্ষার মান ক্রমেই নিচের দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া সবার জন্য গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।

    নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জ্ঞানালোকিত শিক্ষাবিস্তারের মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের যে উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তা সর্বমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারির বইমেলা উদ্বোধনকালে তিনি জ্ঞানভিত্তিক নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতি-ধর্ম-গোত্র নির্বিশেষে সবার কৃষ্টি-সংস্কৃতি বিকাশের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। কোনো রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে জ্ঞানভিত্তিক নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান এটাই প্রথম। এখন আমাদের দায়িত্ব হবে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করা। প্রত্যেক নাগরিককে তার স্ব স্ব অবস্থান থেকে এ কাজে ব্রতী হতে হবে।

    শিক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউট বা ঝরে পড়া একটি গুরুতর সমস্যা হিসাবে দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ড্রপ আউটের হার। ড্রপ আউটের মূল কারণ শিক্ষার উচ্চব্যয় এবং শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক সংকট। দেশের অধিকাংশ পরিবারই দরিদ্র। তারা দৈনন্দিন সাংসারিক ব্যয়নির্বাহ করতেই হিমশিম খায়। সন্তানদের স্কুলে পাঠানো তাদের জন্য বিলাসিতা মাত্র। অনেক পরিবার আছে, যারা ৮-১০ বছরের একটি শিশুকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে তার ব্যয়ভার বহন করতে পারে না। তারা বরং এ বয়সি শিশুকে কোনো কারখানা বা বাড়িতে কাজে নিয়োগ দিয়ে কিছু বাড়তি আয়ের সুযোগ নেয়। মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরও জটিল। আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি তারা মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আরও বেশি চিন্তিত থাকে। তারা মনে করে, মেয়েদের লেখাপড়া করালেও স্বামীর বাড়িতে গিয়ে তাদের গৃহকর্মই করতে হবে। তাই শিক্ষার ব্যয়ভার বহনের পরিবর্তে তারা মেয়ের বয়স ১৩-১৪ বছর হলেই তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে। দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের মাত্র ২১ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করতে পারে। আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের ব্যয় অত্যন্ত বেশি। সর্বপর্যায়ে শিক্ষার ব্যয়ভার কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। শিক্ষাব্যয়কে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার ব্যয়ভার অত্যন্ত বেশি। ফলে বিত্তহীন পরিবারের সন্তানরা চাইলেই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বিদ্যার্জন করতে পারে না। আবার সবার পক্ষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াও সম্ভব হয় না। সরকার প্রতিবছর শিক্ষা খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। এ ভর্তুকির পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় বাড়ানো প্রয়োজন।

    শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে মূল্যবান ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ। উপযুক্ত ও গুণগত মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে জ্ঞানালোকিত সমাজ গঠন করা না গেলে জাতির সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করা যাবে না। উপযুক্ত ও মানসম্মত শিক্ষাই পারে একটি জাতিকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। এমন একটি দেশও দেখা যাবে না, যারা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে উন্নতির শিখরে উপনীত হতে পেরেছে। ইউনেস্কোর মতে, একটি দেশে গুণগত মানসম্মত শিক্ষাবিস্তার নিশ্চিত করতে হলে জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন। বরাদ্দকৃত এ অর্থের বেশির ভাগই গবেষণাকর্মে ব্যবহৃত হতে হবে। শিক্ষা গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞান উদ্ভাবিত হবে এবং সেই জ্ঞান ব্যবহার করে জাতি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটে প্রতিবছর শিক্ষা খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা জিডিপির ২ শতাংশেরও কম। আর বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশই অবকাঠামোগত নির্মাণকাজে ব্যয় হয়। ফলে গবেষণাকাজে ব্যয় করার মতো অর্থ সংকুলান করা সম্ভব হয় না। দেশে যেসব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে, তার অধিকাংশেরই কোনো গবেষণাগার নেই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। রাতারাতি শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৬ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব না হলেও প্রতিবছর কিছু কিছু করে বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। আর উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুমোদন দানের ক্ষেত্রে গবেষণার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদনদানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য কতটা কাজ করছে, তা বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ, শিক্ষা কখনোই বাণিজ্যিক পণ্য হতে পারে না।

    দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ড্রপ আউট বা শিক্ষার্থী ঝরে পড়া একটি জটিল সমস্যা। এ সমস্যার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয়বহুল শিক্ষাপদ্ধতি এবং শিক্ষা উপকরণের উচ্চমূল্য। অনেক পরিবার আছে, যারা সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করতে চায়; কিন্তু শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করতে পারে না বলে সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন করতে বাধ্য হয়। মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে, ২০২৫ মোতাবেক ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষাসম্পন্ন করতে পারলেও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করতে পারে এর অর্ধেকসংখ্যক শিক্ষার্থী। অন্য একটি সূত্রমতে, প্রাইমারি শিক্ষা কার্যক্রমে (গ্রেড ১-৫) ড্রপ আউটের হার ছিল ২০২৩ সালে ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশে বৃদ্ধি পায়। সেকেন্ডারি শিক্ষা কার্যক্রমে (গ্রেড ৫-১১) ২০২৩ সালে ড্রপ আউটের হার ছিল ৩২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় (১১-১২) ড্রপ আউটের হার ছিল ২১ দশমিক ৫১ শতাংশ। শিক্ষা সমাপন না করেই ঝরে পড়ার এ প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শিক্ষা খাতে সরকারি বাজেট বরাদ্দ যৌক্তিকভাবে বাড়াতে হবে। শিক্ষার উপকরণের মূল্য কমিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

    বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করার জন্য ‘শিক্ষাঋণ কর্মসূচি’ চালু করা এ মুহূর্তে খুবই জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করার পর প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাঋণদানের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে একজন শিক্ষার্থীকে তার ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ শিক্ষাঋণের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সিএসআর (করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) ফান্ড গঠন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। বর্তমানে কিছু প্রতিষ্ঠানের সিএসআর ফান্ড থাকলেও তাতে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়, এর বড় অংশই নানাভাবে অপচয় হয়। সিএসআর খাতে প্রতিষ্ঠানগুলো যে ব্যয় বরাদ্দ রাখে, এর একটি বড় অংশই শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি সিএসআর ফান্ড গঠন করে তাদের বার্ষিক লভ্যাংশের একটি অংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেয়, তাহলে বিপুল পরিমাণ অর্থ এ খাতে চলে আসতে পারে। সরকারের দেওয়া অর্থ এবং সিএসআর খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ যোগ করা হলে শিক্ষাঋণের জন্য বড় ধরনের অর্থ সংগৃহীত হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে এ অর্থ থেকে প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ঋণদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছাত্রদের অনুকূলে ঋণদানের জন্য সুপারিশ করবেন। শিক্ষার্থী এবং তার পরিবারপ্রধানের ব্যক্তিগত গ্যারান্টির বিপরীতে শিক্ষাঋণ বিতরণ করা হবে। এ ঋণ হবে সুদবিহীন এবং শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রবেশ করার পর প্রাপ্ত মাসিক বেতন থেকে এ ঋণের কিস্তি পরিশোধ করবেন। একই সেঙ্গে শিক্ষাজীবন শেষে একজন শিক্ষার্থী যদি আত্মকর্মসংস্থান করতে চায়, তখন তাকে আবারও ঋণ দেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা একজন শিক্ষার্থীর জন্য কর্মসংস্থানের গ্যারান্টি নিশ্চয়তা দিতে পারে না। বরং উচ্চশিক্ষিত আত্ম-অহমিকাপূর্ণ বেকার তৈরি করছে মাত্র। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাবিস্তারের ওপর জোর দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষা লাভ করলে একজন শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

    একজন মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে যে পাঁচটি মৌলিক অধিকার দাবি করতে পারে, তার মধ্যে শিক্ষা অন্যতম। অর্থাৎ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে শিক্ষিত করে তোলার জন্য সরকার সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্ঞানভিত্তিক নৈতিক আদর্শবান সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তার এ আহ্বান অত্যন্ত সময়োপযোগী। একে বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা যদি জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ গঠন করতে না পারি, তাহলে আগামীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না।

    ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী : প্রফেসর ইমেরিটাস; সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়